সরকারকে কৃষি আইন প্রত্যাহারে ‘বাধ্য’ করব, আরও জোরাল হচ্ছে অন্নদাতাদের দাবি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নতুন তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা। বুধবার তাঁদের আন্দোলন ২০ দিনে পড়ল। ইতিমধ্যেই তাঁরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রকে এই আইন রদ করতেই হবে। এই দাবিতে তাঁরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বুধবার দিল্লি ও নয়ডা মধ্যবর্তী চিল্লা বর্ডার পুরোপুরি অবরুদ্ধ করার ডাক দিয়েছেন কৃষকরা। নয়া আইন কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে বারবার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে কৃষক সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, ইতিমধ্যেই ২০ জন কৃষকের প্রাণ গিয়েছে। এর সম্পূর্ণ দায় কেন্দ্রের। আগামী ২০ ডিসেম্বর প্রয়াত ২০ জনকে স্মরণ করে গ্রামে গ্রামে শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।

কৃষক নেতা জগজিৎ দাল্লেওয়ালের কথায়, “আমাদের লড়াই এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সেখান থেকে আমাদের জিতে ফিরতেই হবে।” কৃষকরা আলোচনা চাইছেন। কিন্তু সরকার তাঁদের দাবি কানেই তুলছে না। এমনকি কোনও পোক্ত প্রস্তাবও কৃষকদের সামনে রাখা হচ্ছে না বলে অভিযোগ জগজিতের। তবে আন্দোলনের ঝাঁঝ যে আরও বাড়াতে চলেছে কৃষক সংগঠনগুলি সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: করোনার জের, সংসদে হবে না শীতকালীন অধিবেশন, নেপথ্যে কি কৃষক চাপ?

জগজিতের কথায়, “বিপুল সংখ্যক মহিলা বিক্ষোভকারী এই আন্দোলনে যোগ দেবেন। তার জন্য সব রকম আয়োজন করা হচ্ছে।” ইতিমধ্যেই আরও কৃষক দিল্লির সীমানায় হাজির হয়েছে। আজ। বুধবার নয়ডা এবং দিল্লির মাঝে চিল্লা সীমানা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করার হুমকি দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলো। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে পৌঁছনোর আগেই কৃষকদের বিভিন্ন সীমানায় আটকে দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা চলছে। তবে হাজার চেষ্টা করেও তাঁদের আন্দোলনকে থামানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলো।

২০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেল কৃষক আন্দোলনের। এখনও কোনও সামাধানসূত্র মেলেনি। সরকার যেমন নিজেদের অবস্থানে অনড়, তেমনই কৃষক নেতারা জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের দাবি থেকে পিছু হটে আসার কোনও প্রশ্নই নেই। ফলে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠছে। এ দিকে, এই আন্দোলনের জেরে পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, হিমাচল প্রদেশের মতো বেশ কয়েকটি রাজ্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। মঙ্গলবার এমনই একটি তথ্য তুলে ধরেছে ভারতের চেম্বার্স অব কর্মাস। ফলে বাণিজ্য এবং শিল্প মহল থেকেও একটা চাপ সৃষ্টি হচ্ছে সরকারের উপর।

অন্য দিকে, উত্তরপ্রদেশের খাপ পঞ্চায়েতের নেতারাও কৃষকদের এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার কথা জানিয়েছেন। অল খাপ কাউন্সিল-এর সেক্রেটারি সুভাষ বালিয়ান জানান, সমস্ত খাপ পঞ্চায়েতের নেতারা একত্রিত ভাবে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ১৭ ডিসেম্বর তাঁরা দিল্লিতে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন বলেও জানান বালিয়াল।

আরও পড়ুন: উপসাগরীয় এনআরআই ছাড়া প্রবাসী ভারতীয়রা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest