“প্রেম ভেঙে গেলেই বেশিরভাগ মেয়েরা ধর্ষণের অভিযোগ আনে”, বিতর্কিত মন্তব্য মহিলা কমিশনের প্রধানের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

দেশে অধিকাংশ ধর্ষণের মামলা (Rape Case) দায়ের হয় না, অভিযোগ দায়ের হলেও মেলে না সুবিচার। সরকারি তথ্যেই রয়েছে তার প্রমাণ। এরইমধ্যে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ফের একবার বিতর্ক উসকে দিলেন মহিলা কমিশনের প্রধান। “ব্রেক-আপের পরই অধিকাংশ মহিলা ধর্ষণের মামলা করেন”, এমনটাই মন্তব্য করেন ছত্তিসগঢ় (Chattisgarh)-র মহিলা কমিশনের প্রধান কিরণময়ী নায়ক (Kiranmayi Nayak)।

শুক্রবার, বিলাসপুরে মহিলা হেনস্থা সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি ছিল। এদিনই সংবাদমাধ্যমের সামনে কিরণময়ী নায়েক নিজের বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “বেশিরভাগ মেয়েরাই সহবাসে সম্মতি দেন, লিভ-ইন সম্পর্কে থাকেন। কিন্তু সেই সম্পর্ক ভেঙে গেলেই তারা ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন”।

এদিন তিনি আরও বলেন, “কোনও বিবাহিত পুরুষ যদি কোনও নারীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন, তবে তাকে আগে ভালোভাবে বিচার করে দেখতে হবে যে, সেই পুরুষ তাকে ভাল রাখতে পারবে কী না। যদি সেটা না হয়, তবে তারা আবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সম্পর্ক ভেঙে গেলেই ধর্ষণের মামলা রুজু হচ্ছে”।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় নিয়মের ধাক্কায় কমতে পারে প্রায় সকল চাকুরিজীবীর টেক-হোম স্যালারি

সাংবাদিক বৈঠকে নাবালিকাদের উদ্দেশ্যে কিরণময়ী নায়েক পরামর্শ দেন, ‘ফিল্মিভাবে’ প্রেম নিবেদন বা সুন্দর কথাবার্তায় প্রতারিত হয়ে যেও না। তাতে তোমার জীবন, পরিবার, বন্ধুবান্ধব সব নষ্ট হতে পারে। এখন একটা ট্রেন্ড চলছে। ১৮ বছর হয়ে গেলেই সবাই বিয়ে করে ফেলছে। তারপর সন্তান হওয়ার পর আর সম্পর্ক রাখতে পারছে না। এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে।”

সরকারী তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে দেশে ৪ লক্ষেরও বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং প্রতিদিন গড়ে ৮৭টি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এদিকে বিশেষজ্ঞ মহলের দাবী, লোকলজ্জা ও সমাজের ভয়ে অনেকেই পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের করে না। এবার মহিলা কমিশন সম্পাদকের এমন মন্তব্যের কারণে সেই প্রবণতা আরও বেশি গুণে বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহলের।

মহিলা কমিশনের প্রধানের এইধরনের বিতর্কিত মন্তব্যে ফের একবার পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ছবিটাই ফুটে উঠেছে । দেশের বেশ কয়েকটি জায়গাতেই ধর্ষণের রিপোর্ট ধামাচাপা দেওয়া হয়। ধর্ষণ করে খুনের মামলা (Rape and Murder)-র ক্ষেত্রে কেবল খুনের অভিযোগই দায়ের করা হয়। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয় না, গাফিলতি থাকে পুলিসি তদন্তেও।

আরও পড়ুন:  নয়া কৃষি আইনে বিরাট লাভ কৃষকদের,বাড়বে বেসরকারি বিনিয়োগ FICCI-এর মঞ্চে বার্তা মোদীর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest