Coronavirus Update: দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৫১, মৃত ৩

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নয়াদিল্লি: দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা আতঙ্ক। বুধবার দেশে করোনা আক্রান্তে সংখ্যা ছিল ১৫১। রাতারাতি তা বেড়ে হয়েছে ১৬৯ জন। চণ্ডীগড়ে প্রথম করোনা আক্রান্ত ধরা পড়েছে। করোনা রুখতে জমায়েতে রাশ টানতে চাইছে বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন। তাই উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান-সহ বিভিন্ন  রাজ্যের কিছু কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: করোনাভাইরাস চ্যালেঞ্জ! বিমানের কমোড চাটলেন টিকটক স্টার

দেশের যে সব রাজ্যে করোনা আক্রান্তের খোঁজ বেশি মিলেছে তার মধ্যে মহারাষ্ট্র, কেরলের পরেই রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। নয়ডায় এখনও পর্যন্ত সংক্রামিতের সংখ্যা চার। সূত্রের খবর, ইন্দোনেশিয়া ফেরত এক যুবকের মধ্যে সিওভিডি ১৯ পজিটিভ। তাঁকে রাখা হয়েছে একটি সরকারি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে।

 

file79okoa63nzslqydziu3 1584413723

 

নয়ডায় প্রথম করোনা আক্রান্ত দিল্লির এক বাসিন্দা। তাঁর মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ার পরেই বন্ধ করা দেওয়া হয়েছিল নয়ডার একাধিক স্কুল। কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়ছিল স্কুল পড়ুয়াদেরও। মঙ্গলবার নয়ডা সেক্টর ৭৮ ও সেক্টর ১০০-র দুই বাসিন্দার মধ্যে সিওভিডি ১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। দু’জনেই ফ্রান্স থেকে ফিরেছিলেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে তাঁদের পরিবারের লোকজনকেও।নয়ডায় আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত যে কোনও বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। জায়গায় জায়গায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা।

আরও পড়ুন:স্বস্তি বাংলার, করোনা আক্রান্তের বাবা-মা এবং ড্রাইভারের শরীরে মেলেনি ভাইরাস

চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে যাঁরা বিদেশ থেকে ভারতে এসেছেন। তাঁদেরকে খুঁজে বের করতে হবে। এই মর্মে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের চিঠি দিল কেন্দ্র। বিশেষ করে চিন, জাপান, ইটালি, নেপাল, থাইল্যান্ড সহ অন্যান্য আক্রান্ত দেশগুলি থেকে যাঁরাই এই সময়কালে ভারতে এসেছেন, তাঁদের খুঁজে বের করতে হবে। এই কাজে এনজিও-র সাহায্য নেওয়ার কথা বলেছে কেন্দ্র।

এ রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক জনই। ইংল্যান্ড ফেরত সেই তরুণ। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আপাতত স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। বুধবার প্রথম পরীক্ষায় ওই তরুণের বাবা, মা ও গাড়ির চালকের লালারসে করোনা সংক্রমণ অবশ্য মেলেনি। গোটা দেশের নিরিখে এ রাজ্যের ছবিটা তুলনামূলক ভাবে ভাল হলেও আতঙ্কে সাধারণ মানুষ। গণ পরিবহণেও সেই আতঙ্কের ছবিটা স্পষ্ট ধরা পড়েছে। বহু জায়গাতেই অফিস টাইমে ট্রেন বা বাস ফাঁকা থাকছে। ভিড় কমছে শহরের রাজপথেও।

Gmail 4

 

 

 

 

 

করোনা আতঙ্ক এবার পাতালেও। রাতিরাতি প্রায় দেড় লক্ষ যাত্রী সংখ্যা কমল কলকাতা মেট্রোয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন মেট্রোয় গড় যাত্রী সংখ্যা থাকে ৭ লক্ষ। তবে এবার এক ধাক্কায় কমে সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩২ হাজার।করোনা মোকাবিলায় তত্পর রাজ্য। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, আইসোলেশনের জন্য সাতাশটি হাসপাতালে আধুনিক সুবিধাযুক্ত একশো তেষট্টিটি বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজারহাটে দুশো বেডের কোয়ারেনটাইন সেন্টার গড়া হয়েছে। প্রতি জেলায় একটি করে হাসপাতালে আইসোলেশন ও কোয়ারেনটাইনের জন্য পচাত্তরটি করে বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।  করোনা মোকাবিলায় চব্বিশ ঘণ্টার জন্য কাজ করছেন ছশো স্বাস্থ্যকর্মী। রয়েছেন তিনশো জন চিকিত্সক। প্রশাসনের তরফে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও আন্তঃরাজ্য সীমানায় একশোটিরও বেশি চেক পয়েন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। দমদম ও বাগডোগরা বিমানবন্দর এবং কলকাতা স্টেশনে নজরদারি চালাচ্ছে কুড়ি জনের বিশেষ দল।

আরও পড়ুন: আইসক্রিম খেলে করোনা হবে? জেনে নিন ছড়িয়ে পড়া এই খবরের সত্যি-মিথ্যে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন সংক্রমণের নিরিখে ভারত এখনও স্টেজ ২ অর্থাৎ দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিদেশ থেকে আসা লোকজনের সংস্পর্শে এসে তার আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতরা ওই রোগে আক্রান্ত হন। একে বলে লোকাল ট্রান্সমিশন। এতে অল্পসংখ্যক লোক আক্রান্ত হন। কীভাবে তাঁরা আক্রান্ত হলেন, তা সহজে বোঝা যায়।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest