সম্পর্কিত পোস্ট

কথায়- কথায়

জিততে হলে মুসলিম প্রার্থী কমাও, এখন ডান-বাম সবার স্ট্র্যাটিজি সেটাই !

এস এ মাসুদ মুসলমানকে রাজনৈতিকভাবে প্রান্তিক করে দেবার ছক বহু দিনের। বিজেপির কথা বাদ। কারণ জয় শ্রীরাম বলে রণহুংকার দিয়ে মুসলিমানকে ভয় দেখানো তার পবিত্র

আরএসএস কাজ করে বেশিরভাগ হিন্দু পরিবারের অন্দরে, সে কারণেই বিদ্বেষের এমন বাড়বাড়ন্ত

প্রদীপ আচার্য বিজেপি বলে বাস্তবে কিসসু হয় না। সবটা বিদ্বেষ। অথবা আরএসএস। এই বিদ্বেষ ছেড়ে দিলে দলটা পদ্ম পতাকা ছাড়া আর কিছু নয়। যদি কেউ

কি বলছে হাওয়া! বাংলার তখতে কী দিদিই, না কি শাহ-মোদীর প্রতিনিধি?

সৈয়দ আলি মাসুদ রাজনীতি বিশ্লেষণ করতে হলে সর্বদা নিজেকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হয়। নিজে  কোনও দলের সমর্থক হলে তিনি একপেশে বিশ্লেষণ করে বসেন। তিনি

গোল্লায় নীতি, বাংলায় নেতা শিকারে ব্যস্ত বিজেপি, ‘মোদীত্ববাদীদের’ দাপটে কোনঠাসা ‘হিন্দুত্ববাদীরা’

সৈয়দ আলি মাসুদ রাজনীতি চিরদিনই নীতিহীন গেম। কিন্তু তারপরও কিছু লোক বেইমানিটাও ইমানদারির সঙ্গে করতেন। এখন তাও শেষ। এটা নিউ ইন্ডিয়া। উন্নয়নে গুলি মারো! তার

গেরুয়া শাসনে বিপদ বাড়ছে সংখ্যাগুরুরও,সাবধান না হলে কেঁদে কুল পাবেন না

সংখ্যাগরিষ্ঠরা সচেতন না হলে তারা পস্তানোর সময় পর্যন্ত পাবে না। যখন বিদ্বেষ আফিমের ঘোর কাটবে তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় শাসক দল জানে কেবল

বাংলার বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ‘ভদ্রলোক’ চেনার কয়েকটি সহজ পদ্ধতি

ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ভদ্রলোকেরা। কারও কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। তাদের হয়ে কথা বলার কেউ নেই। পরিবেশপ্রেমী, মানবাধিকার সংগঠন কিংবা পশুপ্রেমী কারও কোনও উৎসাহ নেই। আর

ধর্ম ও জাতপাত রাজনীতি এদেশের ডিএনএ-তে, তাহলে মিমে আপত্তি কেন

সৈয়দ আলি মাসুদ মানুষ ভেড়ার পালের মত। যার পোশাকি নাম ‘ট্রেন্ড’। বুদ্ধি দিয়ে ভাবার লোক খুব কম। প্রচারে ভেসে যাওয়ার লোক অগুনতি। সে কারণেই ফি

গদি হারাচ্ছেন ট্রাম্প, জেল হেফাজতে অর্ণব, মন খারাপ আরএসএস প্রেমীদের

সৈয়দ আলি মাসুদ ট্রাম্প হারছেন। নিশ্চিত। আর চান্স নেই। শুরু করেছেন ভুল বকতে। অবশ্য ওটাই ওঁর নিজস্ব পরিচয়। ভুল বকে তিনি নিজেকে প্রতিদিন জনগণের চর্চায়