Pregnant women who injured in Ahiritola house collapsed gave birth a child, lost another child

মেয়ের মৃত্যুদিনেই ফের কন্যাসন্তানের জন্ম, হাহাকার আহিরীটোলার বধূর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বুধবার সকালে আহিরিটোলায় বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয় দু’জনের। এক আড়াই বছরের শিশু ও অন্য জন তাঁরই দিদিমা। আর দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েও মৃত শিশুর মা জন্ম দিলেন আর এক সন্তানের। দুর্ঘটনার পরে ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি জন্ম দিলেন কন্যা সন্তানের। বড় মেয়ের মৃত্যুর দিনেই কোলে এল আর এক মেয়ে। মা এবং সদ্যোজাত স্থিতিশীল রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। সদ্যোজাতকে নার্শারিতে রাখা হয়েছে এবং মা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এইচডিইউ ওয়ার্ডে।

মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে আহিরিটোলা স্ট্রিটের বুধবার সকালে ওই দোতলা বাড়িটির একাংশ ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়েন অনেকে। দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কর্মীরা এসে আটকে থাকা বাসিন্দাদের উদ্ধার করেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজ এবং আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনায় আটকে পড়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা গঙ্গা ঘোড়ুইও। তাঁকে চিকিৎসার জন্য আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই দুপুর নাগাদ সন্তানের জন্ম দেন তিনি। ততক্ষণে বড় মেয়েকে হারিয়েছেন গঙ্গা। সেই খবরও জানতে পারেন তিনি।

আরও পড়ুন: শোভন চট্টোপাধ্যায়কে অ্যাসাইলামে পাঠানো হো‌ক, বাড়ি বিক্রি নিয়ে প্রতিক্রিয়া পুত্র সপ্তর্ষির

আহিরিটোলায় ভাঙা বাড়ির ধ্বংসস্তূপে আটকে প়ড়ে ছিলেন গঙ্গার মা চম্পা গড়াই, মেয়ে শ্রীজিতা ঘোড়ুই এবং স্বামী সুশান্ত ঘোড়ুই-ও। উদ্ধারকারী দল তাদের উদ্ধার করে, সুশান্ত এবং শ্রীজিতাকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই শ্রীজিতাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা করে সুশান্তকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। চম্পাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিন আরজি কর হাসপাতালে। সেখানে তাঁকেও মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

নবজাতককে বুকে জড়িয়ে আনন্দ করবেন নাকি প্রথম সন্তানের মৃত্যুতে বুক ফাটা কান্নায় ভেঙে পড়বেন, সে বোধশক্তিও ততক্ষণে হারিয়েছেন গৃহবধূ। বাকরুদ্ধ তিনি। আনন্দ-দুঃখের অনুভূতিটাই তিনি হারিয়ে ফেলেছেন। সন্তানের মৃত্যুর দিনে আরেক সন্তানের বাবা হওয়ার পর চোখের জলে ভাসছেন গঙ্গার স্বামী সুশান্তও।

আরও পড়ুন: রাত পোহালেই ভোট, নর্দার্ন পার্কে পাম্প চালিয়ে সরানো হল জল, ভবানীপুরে বুথমুখী ভোটকর্মীরা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest