Give these 10 kinds of sweets to Ganesha for 10 days to solve the problem

Ganesh Chaturthi 2021: সমস্যা দূর করতে ১০ দিন গণেশকে এই ১০ রকমের মিষ্টি দিন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সারা বছর আমরা গণেশ চতুর্থীর (Ganesh Chaturthi) জন্য অপেক্ষা করি। এই দিনে গণপতি স্বয়ং সবার বাড়িতে আসেন এবং দশ দিন ধরে বিরাজ করেন। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী থেকে চতুর্দশ তিথি পর্যন্ত সবাই গণেশের পূজা-অর্চনা করেন। এই বছর গণেশ চতুর্থী উৎসব আজ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ (শুক্রবার) দিন থেকে শুরু হচ্ছে। হিন্দু ধর্মে ভগবান গণেশের প্রথম পূজার মর্যাদা রয়েছে, অর্থাৎ যে কোনও শুভ বা শুভ কাজে প্রথমেই ভগবান গণেশের পূজা করা হয় এবং তার পরই কাজ শুরু করা হয়।

বলা হয়ে থাকে যে এটি করার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জীবনের সব সমস্যা দূর হয়ে যায় এবং যে কাজটি করা হয় তা কোনও খারাপ প্রভাব ছাড়াই সম্পন্ন হয়। ভগবান গণেশের আরাধনা করলে একজন ব্যক্তি যে কোনও ধরনের রোগ, আর্থিক সমস্যা, চাকরি, ব্যবসা, শিশুদের সংক্রান্ত সমস্যাও থেকে মুক্তি পান। দেখে নেওয়া যাক সিদ্ধিলাভে দশ দিন ধরে গজাননকে কী কী ভোগ দেওয়া যায় চলতি বছরের গণেশ চতুর্থীর উৎসবে!

মোদক (Modak)- মোদক গণপতির সব চেয়ে প্রিয়। এইজন্য তাঁকে মোদকপ্রিয়ও বলা হয়। গণেশ পুজোর প্রথম দিনে মোদক দেওয়া হয়। মোদক বিভিন্নভাবে তৈরি করা যায়। ভাপা মোদক, চকোলেট মোদক, ভাজা মোদক ইত্যাদি।

পুরন পোলি (Puran Poli)-পুরন পোলি মহারাষ্ট্রের খুব জনপ্রিয় একটি মিষ্টি। এটি আটা ও গুড় দিয়ে তৈরি এক ধরনের মিষ্টি রুটি।

সাতোরি (Satori)-এটিও এক রকমের মিষ্টি রুটি। মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন উৎসবে সাতোরি তৈরি করার প্রচলন আছে। এটি তৈরি করা হয় খোয়া ক্ষীর বা মেওয়ার সঙ্গে, ঘি, বেসন ও দুধ দিয়ে।

আরও পড়ুন: জ্যোতিষ কথা : শুধুমাত্র নখ দেখে গড়গড় করে বলে দেওয়া যায় আপনার সম্বন্ধে

মোতিচুরের লাড্ডু (Motichoor Laddoo)-মোদকের সঙ্গে সঙ্গে মোতিচুরের লাড্ডু খেতেও গণেশ খুব ভালবাসেন। উৎসবের দশ দিন ধরেই লাড্ডু দেওয়া যায়। মোতিচুরের লাড্ডু ছাড়াও গণেশকে নিবেদন করা যায় আটার লাড্ডু, তিলের লাড্ডু ইত্যাদি।

রাভা পোঙ্গল (Rava Pongal)-এটি একটি সুস্বাদু দক্ষিণ ভারতীয় পদ। সুজি আর মুগডাল মিশিয়ে তার মধ্যে ঘি দিয়ে এই পদ তৈরি করা হয়।

কলার শিরা (Banana Sheera)-সিমুই, চিনি ও কলা চটকে এই পদ তৈরি করা হয়।

নারকেলের ভাত (Coconut Rice)-গণেশের পুজোয় সব চেয়ে জনপ্রিয় ভোগ হল নারকেল ভাত। নারকেলের দুধে ভাত শুকিয়ে নিয়ে এই পদ করা হয়।

শ্রীখণ্ড (Shrikhand)-দই ছেঁকে নিয়ে তার মধ্যে বাদাম ও কিসমিস দিয়ে শ্রীখণ্ড তৈরি করা হয়।

পায়েস (Payasam)-এটি দক্ষিণ ভারতীয় ক্ষীর। চাল আর দুধ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। এর মধ্যে গুড়, নারকেল ও এলাচ দেওয়া হয়। গাজর ও আনারসের পায়েসও তৈরি করা যায়।

মেদু বড়া (Medu Vara)-মেদু বড়া একটি দক্ষিণ ভারতীয় পদ যা গণেশকে ভোগ হিসাবে দেওয়া হয়।\

আরও পড়ুন: পুরোহিত ছাড়া ঘরে কী ভাবে করবেন সিদ্ধিদাতার আরাধনা, জেনে নিন ষোড়শপচার পুজো পদ্ধতি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest