Vaastu Rules For Wedding Cards

বিয়ের কার্ড ছাপাতে যাচ্ছেন? বাস্তু মানলে জেনে নিন এই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

চলছে বিয়ের মরশুম, একইসঙ্গে চলছে বিয়ের প্রস্তুতিও। তাই নতুন জীবন শুরু করার আগে পালন করতে হয় বহু রীতি। এর কারন একটাই যেন কোনও অশুভ প্রভাব না পরে। নতুন জীবন শুরু করার আগে তাই বিয়ের অন্যতম বিষয়ের উপর নজর দিন। বিয়ের সবথেকে অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল বিয়ের কার্ড। এর কারণ হল বিয়ের কার্ড থেকেই হবু পাত্রপাত্রী সম্পর্কে জানতে পারেন সকলে। তাই হবু দম্পতিকে সুখী রাখতে বিয়ের কার্ডে মেনে চলুন বাস্তুর এই নিয়মগুলি।

  • বিয়ের কার্ডে পাত্রপাত্রীর ছবি না দেওয়াই ভালো বলে মনে করেন বাস্তুশাস্ত্র।
  • কোনও ভাবেই বিয়ের কার্ডের রং কালো বা ধূসর রং-এর করা উচিৎ নয়।
  • এর পাশাপাশি বাস্তু মতে, বর্তমানে নানা আকারের বিয়ের কার্ড বা ডিজাইনার কার্ডের ট্রেন্ড চলছে তবে আয়তাকার বা বর্গাকার বিয়ের কার্ডই শুভ বলে মনে করেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা।
  • বিয়ের কার্ডে অনেকেই ঠাকুরের ছবি ব্যবহার করেন, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনওভাবেই বিয়ের কার্ডে নৃত্যরত গণেশের ছবি ব্যবহার না হয়।
  • বিয়ের কার্ডে পারফিউমড কাগজ ব্যবহার করতে পারেন। চন্দন, গোলাপ, জুঁইফুলের সুগন্ধ অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে দেয়।
  • বিয়ের কার্ড লাল বা মেরুন রং হওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
  • বিয়ের কার্ডে মনে করে অবশ্যই স্বস্তিক চিহ্ন রাখুন। এই চিহ্নের গুরুত্ব অপরিসীম।
  • বিয়ের কার্ডে রাধা-কৃষ্ণের ছবি রাখবেন না। রাধা-কৃষ্ণ প্রেমের প্রতীক হলেও এঁদের জীবন যন্ত্রণা ও বিরহে ভরা।

আসলে ছিমছাম ও সুন্দর বিয়ের কার্ডই ভাল লাগে। বিয়ের কার্ড ডিসেন্ট লুক বেশ আকর্ষণীয়। সঙ্গে কোনও বিশেষ কবিতার কয়েক লাইন থাকতে পারে। সম্পূর্ণ ইংরেজি বা বাংলায় বিয়ের কার্ডের লেখা ছাপতে পারেন। কোনও সুন্দর আঁকাও থাকতে পারে বিয়ের কার্ডে। তবে খুব জমকালো না হওয়াই ভাল।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest