আজ পবিত্র শব-এ-মেরাজ! জেনে নিন, এই দিনের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব…

এই সফরেই উম্মতে মোহাম্মদির জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়েছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আজ শুক্রবার পবিত্র শবব-এ-মেরাজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ঊর্ধ্বলোকে পরিভ্রমণের ঐতিহাসিক ও অলৌকিক ঘটনার স্মারক দিবস। বিশ্বাস করা হয়, এই রাতেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা শরিফ থেকে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে সপ্তম আসমান পেরিয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সাক্ষাৎ লাভ করে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসেন। এ কারণেই হিজরি রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র।

শব মানে রাত। মেরাজ মানে আকাশ বা আকাশ পথে গমন। এখানে মেরাজ হল, মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সশরীরে ও সজ্ঞানে হজরত জিবরাইল (আ.) ও হজরত মিকাইলের (আ.) সঙ্গে বিশেষ বাহন বোরাকের মাধ্যমে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা হয়ে প্রথম আসমান থেকে একে একে সপ্তম আসমান এবং সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত ভ্রমণ। তার পর সেখান থেকে একাকী রফরফ বাহনে আরশে আজিম পর্যন্ত ভ্রমণ। মহান রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ও জান্নাত-জাহান্নাম পরিদর্শন করে ফিরে আসা।

মেরাজের একটা অংশ হলো ইসরা। ইসরা মানে রাত্রিকালীন ভ্রমণ। যেহেতু নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেরাজ রাত্রিকালে হয়েছিল, তাই এটিকে ইসরা বলা হয়। বিশেষত বায়তুল্লাহ শরিফ থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত সফরকে ইসরা বলা হয়।

আরও পড়ুন: শেখ সাদির অসাধারণ সেই সব বাণী, যা একবার পড়তেই হবে

ইসলামের ইতিহাসে পবিত্র এ রাতটি বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো ভারতেও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। শব-এ-মেরাজের এ মহিমান্বিত রাতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, জিকির-আসকার, দোয়া-দরুদ, মিলাদ মাহফিলসহ ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি কামনা করা হয়ে থাকে।

মহানবী (সা.) এ রাতে প্রথমে কাবা শরিফ থেকে বোরাক নামের বাহনে যাত্রা করে প্যালেস্টাইনের বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদে যান। সেখানে অন্যান্য নবী-রাসুলের সঙ্গে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন।

এর পর ঊর্ধ্বলোকে সফর শুরু করেন। এ সময় তিনি নভোমণ্ডল, বেহেশত-দোজখ ও সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন এবং পূর্ববর্তী নবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সপ্তম আসমান পেরিয়ে তিনি আরশে আজিমে ধনুক পরিমাণ দূরত্বে থেকে মহান আল্লাহ পাকের দিদার লাভ করেন। সরাসরি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয়।

এই সফরেই উম্মতে মোহাম্মদির জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: হযরত আলী (রাঃ) এর চিরন্তন বাণী, যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest