You Will Face Problem If Ancestors Are Angry With You, Here Are The Remedies

Pitru Paksha: পূর্বপুরুষরা ক্ষুব্ধ হলে সবক্ষেত্রে আসবে বাধা, কী করবেন জেনে নিন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

প্রচলিত আছে যে, পিতৃপুরুষদের একটি পৃথক লোক রয়েছে। সেখান থেকে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময় তাঁরা পৃথিবীতে এসে নিজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেখে দুঃখিত বা আনন্দিত হন। পিতৃপুরুষরা প্রসন্ন হলে আশীর্বাদ বর্ষণ করেন আবার ক্ষুব্ধ হলে পিতৃদোষ দেখা দেয়।

পিতৃপুরুষরা ক্ষুব্ধ থাকলে, তা কী ভাবে জানা যাবে, সে বিষয়েও জানতে চান সকলে। আবার কী ভাবেই বা তাঁদের সন্তুষ্ট করা যাবে, এই প্রশ্নও সকলের মনে ঘোরাফেরা করে। ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী মনু্ষ্য লোকের ওপরে পিতৃ লোক এবং তার ওপরে সূর্য লোক রয়েছে। সূর্য লোকের ওপরে রয়েছে স্বর্গ লোক।

পিতৃপুরুষরা কেন ক্ষুব্ধ হন

ব্যক্তির আচরণ, কোনও পরিজনের করা ভুল, শ্রাদ্ধকর্ম না-করলে, অন্ত্যেষ্টিতে ত্রুটি-সহ নানান কারণে পিতৃপুরুষরা ক্ষুব্ধ হতে পারেন। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা পিতৃদোষের অংশীদার হয়ে পড়েন। এই দোষকে একটি আবশ্যক বাধা হিসেবে গণ্য করা হয়। পিতৃপুরুষরা রুষ্ট হলে এই দোষ উৎপন্ন হয়।

পিতৃদোষ হলে কী সমস্যা দেখা দেয়

যে ব্যক্তির কোষ্ঠিতে পিতৃদোষ দেখা দেয়, সে মানসিক অবসাদ, পরিশ্রম অনুযায়ী ফল লাভ না-করা, ব্যবসায় ক্ষতি, বিবাহে বা দাম্পত্য জীবনে সমস্যা, কেরিয়ারে সমস্যা দেখা দেয়, অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাধা উৎপন্ন হয়।

পিতৃদোষ থাকলে, অনুকূল গ্রহ, গোচর ও দশাও বিফল হয়ে যায়, অর্থাৎ শুভ গ্রহগতির ফল লাভ করা যায় না।

কী ভাবে জানবেন আপনার পিতৃপুরুষরা ক্ষুব্ধ কী না

১. খাবারে চুল- খাবার খাওয়ার সময় তাতে চুল থাকলে সতর্ক হয়ে যান, একে পিতৃদোষের লক্ষণ মনে করা হয়। পরিবারের কোনও একটি সদস্যের সঙ্গে এমন বার বার হলে পিতৃ দোষ নিবারণের উপায় করা উচিত।

২. দুর্গন্ধ- কিছু ব্যক্তির বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ আসে। কিন্তু কোথা থেকে আসছে, তা জানা যায় না। কোনও অতিথি বাড়িতে এলে তাঁরা প্রথম এই দুর্গন্ধের বিষয় পরিবারের সদস্যদের অবগত করান। কিছু সময় পর পরিবারের সদস্যরা সেই দুর্গন্ধের আভাস পেয়ে থাকেন। পিতৃদোষের কারণে এমন হতে পারে।

৩. পূর্বপুরুষদের স্বপ্ন- স্বপ্নে পূর্বপুরুষদের দেখা বা স্বপ্নে পূর্বপুরুষরা এসে কোনও ইঙ্গিত করলে বুঝবেন, সেই পরিবারে পিতৃদোষ রয়েছে।

৪. শুভ কাজে বাধা- বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান বা উৎসবে হঠাৎ বাধা পড়ে যাওয়া, অশুভ ঘটনা ঘটে যাওয়াও পিতৃদোষের দিকে ইঙ্গিত করে।

৫. পরিবারের কোনও সদস্য অবিবাহিত থেকে গেলে- বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ হতে না-পারলেও তা পিতৃদোষের দিকেই ইঙ্গিত করে। সেই পরিবারে কোনও অবিবাহিত ব্যক্তির প্রথমে মৃত্যু হয়ে গেলে একে পিতৃদোষের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হয়।

৬. সন্তান না-হওয়া- অনেক সময় দম্পতি সন্তান সুখ থেকে বঞ্চিত থেকে যান। মেডিক্যাল রিপোর্ট ঠিক থাকা সত্ত্বেও সন্তান লাভ করতে পারেন না তাঁরা। পিতৃদোষের কারণে অনেক সময় এমন হয়ে থাকে।

পিতৃদোষ শান্তির ৩টি উপায়

১. ষোড়শ পিণ্ডদান, বিষ্ণু মন্ত্র জপ, সর্প পুজো, ব্রাহ্মণকে গৌ দান, কন্যা দান, কুঁয়ো, পুকুর ইত্যাদি নির্মাণ, মন্দির চত্বরে অশ্বত্থ, বট, ইত্যাদি দেব বৃক্ষ রোপণ, শ্রীমদ্ভগবত পাঠ করলে পিতৃদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২. বেদ ও পুরাণ অনুযায়ী পিতৃপুরুষদের সন্তুষ্টির মন্ত্র, স্তোস্ত্র ও সূক্ত নিত্য পাঠ করলেও পিতৃ বাধা শান্ত করা যায়। প্রতিদিন না-পারলে, প্রতি মাসের অমাবস্যা এবং আশ্বিন কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা অর্থাৎ পিতৃপক্ষে অবশ্যই এই পাঠ করা উচিত। আবার কোষ্ঠিতে যে ধরনের পিতৃদোষ রয়েছে, সে অনুযায়ীও পিতৃদোষ শান্ত করানো উচিত।

৩. শিবের ছবি বা প্রতিমার সামনে বসে ধ্যান করুন। ওম তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় চ ধীমহি তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াত— এই মন্ত্র ১০৮ বার অর্থাৎ ১ মালা জপ করুন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় এই মন্ত্র জপ করলে পিতৃদোষের প্রভাব খর্ব হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest