করোনা চিকিৎসায় ‘রেমডেসিভির’ ব্যবহারে অনুমোদন দিল ভারত

নয়াদিল্লি : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে লাগাম টানতে চলছে বিভিন্ন প্রচেষ্টা, তেমনই এই মারণব্যাধি সারানোর জন্য খোঁজ চলছে ওষুধের। প্রাথমিকভাবে হাইডক্সিক্লোরোকুইনে ভরসা রেখে এবার Gilead Sciences Inc’s অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধে অনুমোদন দিল ভারত সরকার।

কোভিড উপসর্গ রয়েছে এমন ব্যক্তি বা করোনা পজিটিভ সাবালোক ও শিশুর শরীরে এই ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে।বহু বছর ধরেই রেমডেসিভির একাধিক ভাইরাস ঘটিত রোগের চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসাবেও এর কার্যকারীতা খতিয়ে দেখার কাজ চলছিল। অবশেষে করোনা চিকিৎসায় এই ওষুধ প্রয়োগের ছাড়পত্র দিয়েছেন দেশের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল ডাঃ ভি জি সোমানি।

আরও পড়ুন: করোনা হলে মুড়ি মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিকস খেতে নিষেধ করল WHO

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেছেন, ‘কোন যুক্তিতে পাঁচ দিনেই বদলে এই ওষুধ ১০ দিন প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে? বেশি প্রয়োগ হলে মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা থাকবে। তাই অন্যরাষ্ট্রের তুলনায় এই ওষুধ প্রয়োগে এ দেশের কর্তৃপক্ষের আরও পোক্ত পদক্ষেপ করা উচিত।’ তাঁর সংযোজন, ‘রেমডেসিভির প্রয়োগের ছাড়পত্র আসলে জেনেরিক স্বেচ্ছাসেবী লাইসেন্সধারীদের পথ প্রশস্থ করল। তবে, পাঁচদিন এই ওষুধ প্রয়োগ করার কথা বলা হলে রোগীদের অর্থের সাশ্রয় হবে।’

এ প্রসঙ্গে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছে জানতে চাওয়া হলেও কোনও জবাব মেলেনি। তবে, সংস্থা এই ওষুধের পরীক্ষামূলক যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে উল্লেখ, রেমডেসিভির যেসব করোনা আক্রান্তের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে তাঁদের ৬৫ শতাংশের শারীরিক অবস্থায় উন্নতি হয়েছে। যেসব করোনা সংক্রমিতের উপর এই ওষুধ প্রয়োগ হয়নি তাঁদের তুলনায় একাদশতম দিনে উন্নতি লক্ষ করা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘ভারত সীমান্তে চিন আগ্রাসী হয়ে উঠছে’, নিন্দায় সরব মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক

Gmail