প্রয়াত জাতীয় লিগজয়ী প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক কার্লটন চ্যাপম্যান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সোমবার দিনের শুরুতেই দুঃসংবাদ এল ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ৷ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার কার্লটন চ্যাপম্যান। একটা সময় ইস্টবেঙ্গল, জেসিটির মতো ক্লাবকে তিনি এনে দিয়েছেন একাধিক সম্মান। গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যু সংবাদে শোকস্তব্ধ দেশের ফুটবল মহল।

মাত্র ৪৯ বছর বয়সেই অকাল প্রয়াণ ঘটল প্রাক্তন ভারতীয় মিডফিল্ডারের৷ ৯০-এর দশকে আনচেরি, বিজয়ন, বাইচুংদের সাথে মাঠ কাঁপিয়েছেন তিনি। ২০০১ তিনি অবসর নেন খেলা থেকে। খেলা ছাড়ার পর কোচিংও করিয়েছেন চ্যাপম্যান৷ সোমবার বেঙ্গালুরুতে প্রয়াত হলেন তিনি৷ প্রসঙ্গত, ১৯৯১- ২০০১ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জাতীয় ফুটবল দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন : থমকে গেল ট্রেনের চাকা, ভয়ঙ্কর বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে স্তব্ধ মুম্বই

কার্লটন দু’দফায় ইস্টবেঙ্গলে (East Bengal) কাটিয়েছেন ৫টি মরশুম। আর এই ৫ মরশুমে বহু স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন লাল-হলুদ জনতাকে। বিশেষ করে লাল-হলুদ জার্সি গায়ে খেলতে এসে প্রথম মরশুমেই এশিয়ান কাপ উইনার্স কাপে ইরাকের ক্লাব আল জাবরার বিরুদ্ধে তিনি যেভাবে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে অক্ষয় হয়ে থাকবে।

২০০১ সালে ইস্টবেঙ্গলকে ন্যাশনাল ফুটবল লিগ (NFL) জেতানোর পরই অবসর নেন চ্যাপম্যান। তবে, তাঁর সাফল্য শুধু লাল-হলুদ জার্সিতে সীমাবদ্ধ নয়। ফুটবলজীবনের সেরা সময়টা তিনি কাটিয়েছেন জেসিটিতে। ১৯৯৫ সালে ইস্টবেঙ্গল থেকে চ্যাপম্যানকে সই করায় জেসিটি। জেসিটির সেই ঐতিহাসিক দলে তখন আইএম বিজয়ন, বাইচুং ভুটিয়ারাও খেলছেন। জেসিটির জার্সিতে মাত্র ৩টি মরশুমে তিনি জেতেন ছোটবড় ১৪টি ট্রফি। দেশের জার্সি গায়েও খেলেছেন প্রায় ১ দশক। ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত। বেশ কিছুদিন অধিনায়কও ছিলেন।

আরও পড়ুন : দিদির রাজ্যে কমছে বাল্য বিবাহের সংখ্যা, ফের কেন্দ্রের রিপোর্টে সাফল্যের জয়গান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest