ম্যাক্সওয়েল-এবির তাণ্ডবে ম্লান নাইটরা, কলকাতাকে হারিয়ে ফের শীর্ষে কোহলিরা

জয়ের হ্যাটট্রিক থেকে রোখা গেল না কোহলির আরসিবি-কে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আরসিবি: ২০৪-৪ (ম্যাক্সওয়েল ৭৮, এবি ৭৬)
কেকেআর: ১৬৬-৮ (রাসেল ৩১, মর্গ্যান ২৯)
কেকেআর ৩৮ রানে পরাজিত।

জঘন্য ডেথ বোলিং, ব্যাটিং বিভাগে বড় পার্টনারশিপের অভাব, এবং ভুলে ভরা ক্যাপ্টেন্সি। সম্মিলিত ব্যর্থতার জেরে আইপিএল (IPL-14) মরশুমের তৃতীয় ম্যাচেও হারতে হল কেকেআরকে। অব্যাহত থাকল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের স্বপ্নের দৌড়। চেন্নাইয়ে নাইটদের ৩৮ রানে হারিয়ে দিল কোহলি (Virat Kohli) ব্রিগেড। জয়ের ফলে চলতি মরশুমে জয়ের হ্যাটট্রিক করল আরসিবি (RCB)। অন্যদিকে কেকেআর ৩ ম্যাচে জিতল মাত্র ১টি।

ইয়ন মর্গ্যানের (Eion Morgan) কাছে এর আগে ৭ বার টস হেরেছিলেন বিরাট। কিন্তু রবিবাসরীয় গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে টসে বিরাট বাজিমাত করেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি আরসিবির। দ্বিতীয় ওভারেই বরুণ চক্রবর্তী তুলে নেন অধিনায়ক কোহলি এবং রজত পাতিদারকে। কিন্তু তারপরই ইনিংসের হাল ধরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (Glen Maxwell) এবং এবি ডি’ভিলিয়র্স। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে প্রথম ওভারে দুই উইকেট নেওয়া বরুণ চক্রবর্তীকে দ্বিতীয় ওভার দেননি অধিনায়ক মর্গ্যান। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। যাই হোক, দ্বিতীয় উইকেটের পতনের পর শুরু হয়ে ম্যাক্সওয়েল-ডি’ভিলিয়র্স শো। ম্যাক্সি করেন ৪৯ বলে ৭৮ রান। আর এবি মাত্র ৩৪ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে চার বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন জেমিসন। আরসিবি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে করে ২০৪ রান।

আরও পড়ুন: IPL 2021: আঙুল ভেঙে আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন বেন স্টোকস

দশের উপর আস্কিং রেট থাকায় উইকেটে থিতু হওয়ার কোনও সুযোগই ছিল না কেকেআরের ব্যাটসম্যানদের কাছে। তাই শুরু থেকেই হাত চালাতে থাকেন শুভমন গিল। কাইল জেমিসনকে জোড়া ছক্কা মেরেছিলেন। কিন্তু অতি উত্তেজিত হয়ে ভুল শট খেলে নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনলেন। পরবর্তী ব্যাটসম্যান রাহুল ত্রিপাঠিও প্রথম থেকেই চালাতে শুরু করেছিলেন। তাঁকেও ফিরতে হল ভুল শটে। অভিজ্ঞতার অভাব প্রকট হয়ে দেখা দিল বারবার।

এ অবস্থায় দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল দীনেশ কার্তিক এবং মর্গ্যানের। কার্তিক ২ রানে ফিরলেন। মর্গ্যান তবু একটা চেষ্টা করেছিলেন বটে। কিন্তু ২৯-এর বেশি এগোতে পারলেন না। শেষ আশা-ভরসার একটাই নাম ছিল। আন্দ্রে রাসেল। দু’বছর আগে আরসিবি-র বিরুদ্ধে তাঁর দলকে জেতানোর স্মৃতি এখনও টাটকা। রবিবারও সে রকমই ছন্দ দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছিল বিরাট, যা পেরোতে গেলে আরও আগে থেকেই হাত খুলতে হত।

ফলে জয়ের হ্যাটট্রিক থেকে রোখা গেল না কোহলির আরসিবি-কে।

আরও পড়ুন: দু-বছরের খরা কাটিয়ে খেতাব বার্সোলানার, রেকর্ড গড়লেন মেসি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest