Tokyo Olympics: Israeli baseball man finally breaks 'anti-sex' bed at Olympics

Tokyo Olympics: অবশেষে ‘অ্যান্টি সেক্স’ খাট ভাঙতে সমর্থ হলেন ইজরায়েলের বেসবলার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

অলিম্পিক ভিলেজের সঙ্গে যৌনতার এক প্রগাঢ় সম্পর্কের কথা কে না জানে। উঠতি বয়সের অ্যাথলিট বেশিরভাগ। অ্যাড্রিনালিন-টেস্টোস্টেরন নিয়ে ঘর করতে হয় নিত্যদিন। হরমোনের খেলা সব, বুঝলেন না! তাই কারও সঙ্গে একটু ভাব জমে গেলে, একটু আঁখে চার হয়ে গেলে…একটু ইধার-উধার হয়েই যায়।

তাই, সেক্স বিষয়টা অলিম্পিক ভিলেজে একেবারেই অচ্ছুত নয়। অন্তত আগের রিও অলিম্পিক পর্যন্ত তো একেবারেই ছিল না। কত কোটি কন্ডোম অ্যাথলিটদের জন্য সাপ্লাই দেওয়া হয়েছে, তা বেশ বড়াই করেই লেখা হতো কাগজে। কারণ, সেক্স চলছে চলুক, তা বলে অসাবধানী হওয়া চলবে না।

যত গণ্ডগোল এ বার পাকিয়েছে কি না ওই ছোট, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভাইরাস। তার তো ঠিক নেই। এর থেকে ওতে, ওর থেকে তাতে ছড়িয়ে পড়তে ওস্তাদ। তাই সেক্সকে লাগাম দিতে হবে। না হলে ভিলেজ যে করোনাগ্রাম হয়ে যাবে। সে জন্যই নাকি, অলিম্পিক আয়োজকরা রীতিমতো প্ল্যান করে ‘পার্টি পপার’। নড়বড়ে খাট বানিয়ে সেক্সকে ট্যাকল করার মতলব। ওই খাটে নাকি দু’জন উঠলেই ছেতড়ে যাবে চার পা।

সেই খাট সত্যিই ভেঙে পড়তে পারে কিনা তা নিয়ে কৌতুহলী হয়ে ওঠেন ইজরায়েলের বেসবলার বেন ওয়েঙ্গার। তিনি এবং তার একাধিক সাথী মিলে এই খাটকে রীতিমতো পরীক্ষার মধ্যে ফেলেন এবং অবশেষে সেই খাট তারা লাইভ ভিডিয়োতে ভেঙে দেখাতে সক্ষম হন। সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ভাইরাল।

গেমস ভিলেজে সময় কাটাতে বুদ্ধিটা হঠাৎ করেই ওয়েঙ্গারের মাথাতেই এসেছিল। টোকিওতে আয়োজক শহরে চলছে জরুরি অবস্থা। ফলে ভিলেজের মধ্যেই সময় কাটাতে হচ্ছে। অন্য কোনো দেশ বা ইভেন্টের অ্যাথলেটদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ নেই। আয়োজকদের সব দলকেই নিজেদের রুমে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঘরে আবদ্ধ অবস্থায় বিনোদনের উৎস খুঁজতে ফন্দি আটেন ইজরায়েলের বেসবলার ওয়েঙ্গার।

আরও পড়ুন:

অলিম্পিক্সের জন্য বিশেষভাবে বানানো বিছানাকেই বিনোদনের উৎস হিসেবে খুঁজে নেন তারা। বেন ওয়েঙ্গারের খেয়াল হয় নিজের টিকটক অ্যাকাউন্টে আলোড়ন ফেলতে হবে। ফল সবাই মিলে ভিলেজের একটা বিছানা ভেঙে দেখার খেলায় মত্ত হন। ভিডিয়োর শুরুতে ওয়েঙ্গার নিজের উদ্দেশ্য জানান ‘অলিম্পিক ভিলেজের বিছানা নিয়ে অনেক প্রশ্ন শুনছি। তাই আমরা সবাই মিলে পরীক্ষা করে দেখব, এই বিছানা ভাঙতে কতজন ইজরায়েলির দরকার।’

ভিডিয়োর শুরুতে নিজেই তিনি নিজের বিছানায় উঠে লাফ দেন। এরপর আরেক অ্যাথলিট আসেন। তখন তারা দুজন মিলে লাফ দেন বিছানার ওপর। এভাবে ধীরে ধীরে সংখ্যাটা বাড়তে থাকে। আটজন মিলে লাফ দেওয়ার পর বিছানার একটি পাশ একটু বেঁকে যায়। ওয়েঙ্গাররা এখানেই থেকে যাননি। নবম সদস্য এসে যোগ দেন বিছানাতে। এই অবস্থায় তিনজন লাফ দেন। তখন বিছানার চার পাশই নিচু হয়ে যায়। এরপরেই ক্ষান্ত হন তাঁরা।

অ্যান্টি সেক্স-খাট নিয়ে জল্পনার শুরু আমেরিকান রানার পল চেলিমোর টুইট থেকে। যিনি লিখেছিলেন, ‘এই খাট দু’জনের ওজন সইতে পারবে না।’ তবে তা যে নয়, সে কথা খাট যারা তৈরি করেছে, সেই সংস্থা অনেক আগেই তা জানিয়ে ছিল।

এয়ারউইভ সংস্থা তৈরি করেছে এই কার্ডবোর্ডের খাট। তারা গত জানুয়ারি মাসেই জানিয়েছিল, ২০০ কেজি পর্যন্ত ওজন সহ্য করার ক্ষমতা আছে এই খাটের। তাদের এক মুখপাত্র জানিয়ে ছিলেন, ‘খাটের মাঝখানে ওজন ফেলে পরীক্ষাও করা হয়েছে।’

অর্থাৎ, প্রস্তুতকারক সংস্থার দাবি ও ব্যবহারকারীর ‘রিভিউ’ বেশ মিলেমিশে গিয়েছে। ই-কমার্স সংস্থার সাইটে যেমন রেটিং থাকে, সে রকম ব্যবস্থা থাকলে এই খাট হয়তো পাঁচে ৪.৫ পেয়ে যেত অনায়াসেই। কিন্তু সে সব তো খাট যে মজবুত, তা প্রমাণ করার জন্য। আসল ব্যাপারটা তো ফের আড়ালে চলে গেল। মানে, সেক্স কি তবে একেবারেই…?

আরও পড়ুন: Ind vs SL: করোনা পজিটিভ ক্রুনাল পান্ডিয়া, স্থগিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest