মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী অধীর, কেবল জোট নয় ,অন্তত ১৫০ আসন চাইবে কংগ্রেস !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কংগ্রেস চাইছে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াক অধীর। লড়াই হোক সমানে সমানে। কিন্তু তাঁর জন্য তো আগে জোট হতে হবে। কংগ্রেসের তো একা লড়ার শক্তি নেই। তাই ভিতরে ভিতরে জোটের সলতে পাকানো শুরু করে দিল কংগ্রেস।

বিধানসভা ভোটই হোক কিংবা লোকসভা।মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন জনগণ জানতে চাইবেই। তিনি যদি নড়বড়ে হন, তাহলে তাঁর দলের আধখানা শক্তি ভোট ময়দানেই খতম। এ রাজ্যের কথাই ধরুন। তৃণমূলের লোকেরা যখন প্রশ্ন করছে মমতার বিকল্প কে ? বিজেপি লোকেরা আমতা আমতা করেছে। সদুত্তর দিতে পারেনি।

স্পষ্ট করে বলতে পারে না ভাবী মুখ্যমন্ত্রী হবার যোগ্যতা কার আছে । মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়ালে কাকে ঠিক যুৎসই মনে হবে? তা নিয়ে বিজেপি বেজায় চিন্তায়। ওই করেই দিল্লি ভোটে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পাশে দাঁড়াতেই পারল না মনোজ তিওয়ারি। কিন্তু যদি বলা হয় মমতার বিরুদ্ধে প্রাথী অধীর। তখন কিন্তু সবাই বলতে বাধ্য, এবার হবে আসল লড়াই। কংগ্রেস সেটাই চাইছে। তৃণমূলের বিকল্প বিজেপি হতেই পার। বাম-কংগ্রেস জোটও হতে পারে। কিন্তু মমতার বিকল্প কে ? এটা ধন্দে ফেলার মত প্রশ্ন। এক্ষেত্রে অধীর ফিটেস্ট। কিন্তু জোট কী তা মেনে নেবে ?

আরও পড়ুন : আচমকাই সল্টলেকে গোর্খা ভবনে বিমল গুরুং,ভোল বদলে ধরলেন দিদির হাত

পুজো মিটলেই বামেদের সঙ্গে জোরকদমে শুরু হবে জোট-আলোচনা। অধীরকে ‘ভাবী মুখ্যমন্ত্রী’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব তখনই আনুষ্ঠানিক ভাবে বামেদের দেওয়া হবে বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর।

২০২১-এর ভোটে মূল লড়াই যে তৃণমূল আর বিজেপি-র মধ্যেই, সে বিষয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক থেকে সাধারণ ভোটদাতা, কারওরই সংশয় নেই। কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেসের এক অধীর-ঘনিষ্ঠ নেতার কথায়, ‘‘আগেই এ ভাবে হেরে গিয়ে আমরা ভোটে নামতে চাই না। এখন হয়তো অনেকের মনে হচ্ছে, লড়াই তৃণমূল আর বিজেপি-র মধ্যে। কিন্তু আমরা যে পথে এগোতে চাই, তাতে বামেদের পূর্ণ সহযোগিতা মিললে লড়াই দ্বিমুখী নয়, ত্রিমুখী হতে চলেছে।’’

প্রদেশ কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক ঋজু ঘোষালের কথায়, ‘‘এ বার আর ওই রকম কোনও জোট হবে না। আমরা জোট চাই। কিন্তু সিপিএম-কে মনে রাখতে হবে যে, কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের জোট হচ্ছে। কংগ্রেসের সঙ্গে বামফ্রন্টের জোট হচ্ছে। সিপিএম যদি ভাবে ওদের বিভিন্ন শরিকের মতো কংগ্রেসও আরেকটা শরিক হবে, তা হলে খুব ভুল হয়ে যাবে।’’

প্রদেশ কংগ্রেসের এই সাধারণ সম্পাদক। তাঁর কথায়, ‘‘মনে রাখতে হবে, বামেদের এখন এমন কোনও মুখ নেই, যাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প মুখ হিসেবে তুলে ধরা যায়। কংগ্রেসের রয়েছে— অধীররঞ্জন চৌধুরী। লোকসভায় তিনি প্রধান বিরোধী পক্ষের নেতা। গোটা দেশ তাঁকে চেনে। রাজ্যেও তৃণমূল-বিরোধী পরিসরে তিনি প্রথম সারির নেতা। অর্থাৎ বাম-কংগ্রেস জোট হলে সেই জোটের তরফে মমতার বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প হতে পারেন একমাত্র অধীর চৌধুরীই। সে ক্ষেত্রে কংগ্রেস হবে জোটের বড় শরিক এবং তারা ১৫০-১৬০ আসনে লড়বে।’’

রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, এটা আসলে প্রাথমিকভাবে নিজেদের দর বাড়ানোর কৌশল। কংগ্রেস বুঝে নিতে চাইছে জোটে তাদের স্টেটাস কী হতে পারে। বামরা ঠিক কী চাইছে। তারা কংগ্রেসের ওপর নির্ভর করতে চাইছে ,নাকি একলা লড়তে চাইছে। সবটা রেকি করে নিতে চাইছে কংগ্রেস। সে কারণেই তারা অধীরকে সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। এবার দেখার বিষয় বামেরা কী করে।

আরও পড়ুন : সাবধান ! কাল আপনার কাছেও আসতে পারে গেরুয়া আইটি সেলের ফোন কল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest