‘বিজেপি হারছে বলে গুলি করে মানুষ মারাচ্ছে’, মাথাভাঙ্গা কাণ্ডে রুদ্রমূর্তি মমতা

মাথাভাঙার জোরপাকাটিতে গুলি চালানোয় অভিযুক্ত খোদ কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনায় গোটা এলাকা স্তব্ধ, স্তম্ভিত গোটা মাথাভাঙাও।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বাংলায় চলছে চতুর্থ দফার নিবার্চন। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, হুগলী, হাওড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় চলছে ভোটগ্রহণ। এরই মধ্যে পঞ্চম দফার প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ উত্তর ২৪ পরগনায় মমতার জনসভা। হিঙ্গলগঞ্জ, বনগাঁ দক্ষিণ এবং বীজপুরে আজ সভা মমতার।

প্রত্যাশা মতোই উত্তরবঙ্গের মাথাভাঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার জনের মৃত্যুর ঘটনায় রুদ্রমূর্তি ধারন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি অভিযোগ তুললেন বিজেপির দিকে। মমতার কথায়, ‘বিজেপি হারছে বলে গুলি করে মারছে। কিন্তু সকলে শান্ত থাকুন। কেউ অশান্তিতে জড়াবেন না।’ শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের জনসভা থেকে মমতা আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘কী অন্যায় করেছিলেন মানুষগুলো? এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে এরা। মেয়েদের ভয় দেখাচ্ছে।’ তৃণমূল নেত্রীর সংযোজন, ‘অত্যন্ত মর্মাহত হয়ে আজ কথা বলছি। সিআরপিএফ গুলি চালিয়ে চার জনকে মেরে ফেলল। আমি বারবার বলছি, সিআরপিএফ আমার শত্রু নয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় চলছে ওরা। এত ঔদ্ধত্য কেন?’

আরও পড়ুন: WB Election: ত্রিশঙ্কু হলেও তৃণমূলকে সমর্থন দেবে না বামেরা, জানালেন সূর্যকান্ত

এরপরই তৃণমূল নেত্রীর আহ্বান, ‘এই ঘটনার বদলা নিতে হবে। একটা করে ভোট, একটা করে বদলা। এতগুলো মানুষকে গুলি করে মেরে বলছে, আত্মরক্ষা! রিটায়ার্ড লোক আমার নিরাপত্তারক্ষী হলে অসুবিধা, আর রিটায়ার্ড লোককে দিয়ে নির্বাচন কমিশন চালাচ্ছে। আজকে আমার হাতে নেই আইনশৃঙ্খলা। তৃণমূল নেতা, পাবলিককে খুন করা হচ্ছে।’ এরপরই নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে যদি রিটায়ার্ড লোক না থাকতে পারে, তাহলে নির্বাচন কমিশন কী করে রিটায়ার্ড লোককে দিয়ে ভোট করাচ্ছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছি। আমাকে নোটিশ পাঠালে পাঠান।’

প্রসঙ্গত,  মাথাভাঙার জোরপাকাটিতে গুলি চালানোয় অভিযুক্ত খোদ কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনায় গোটা এলাকা স্তব্ধ, স্তম্ভিত গোটা মাথাভাঙাও। কমিশন কার্যত স্বীকারও করেও নিয়েছে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীই। এই নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টও তলব করছে নির্বাচন কমিশন। মৃতদের নাম হামিদুল হক, হামিউল হক, নুর আলম,মনিরুল হক। এছাড়াও অন্তত পাঁচজন আহত। মৃতদের পরিবারের দাবি, সম্পূর্ণ পরিকল্পনা মাফিক গুলি চালিয়েছে বাহিনী। যদিও বাহিনীর দাবি আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে গুলি, মৃত প্রথমবারের ভোটার, নিজেদের কর্মী হিসেবে দাবি TMC এবং BJP-র

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest