শুভেন্দুর নীল-সাদা কোট পছন্দ নয় বাবুলের! বললেন, অন্য রং এনে দেবেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মঙ্গলবার খড়দহের বিজেপির জনসভায় উঠে এল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও নয়া বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীর রসায়ন।

বাবুলের বক্তৃতা শেষ। শুভেন্দু অধিকারী মাইক ধরবেন। বাবুলই জননেতা ইত্যাদি বলে শুভেন্দুকে সম্বোধন করে ডেকে নিচ্ছিলেন। শুভেন্দুর পরনে ছিল সাদা পায়জামা, পাঞ্জাবি আর নীল জওহর কোট। বাবুল বলেন, “শুভেন্দুদা, এবার তোমায় এই নীল-সাদাটা ছাড়তে হবে। আমি তোমার জন্য অন্য একটা পাঠাব।” হেসে ফেলেন শুভেন্দু। জড়িয়ে ধরেন বাবুলকে!

এমনিতে শুভেন্দু অধিকারীর পোশাকপরিচ্ছদ টিপিক্যাল তৃণমূল নেতাদের মতো নয়। সারা বছর সাদা ঢোলা পায়জামার সঙ্গে সাদা পাঞ্জাবি পরেন। পায়ে থাকে কালো চামড়ার চটি। স্নিকার্স নয়। আগে তাও মাঝে মাঝে হালকা হলুদ রঙের পাঞ্জাবি পরতেন, কিন্তু ইদানিং তাও দেখা যায় না। শীতকালে শুধু রঙিন হাফ স্লিভ কোট যোগ হয়। আর পা ঢাকা কালো জুতো।

তবে এটা ঠিক। সাম্প্রতিক সময়ে শুভেন্দুকে যেকটি হাফ স্লিভ কোটে দেখা গিয়েছে সবটাই নীলের উপর! এমনিতে শুভেন্দু কীর্তন প্রিয়। তবে রূপম ইসলামের ‘নীল রঙ ছিল ভীষণ প্রিয়’ তাঁর পছন্দের গান কি না তা জানা যায়নি! বাংলার রাজনীতিতে যখন নীল-সাদা একটি রাজনৈতিক শব্দবন্ধ হয়ে উঠেছে তখন বাবুলের এই মন্তব্য স্বাভাবিক ভাবেই কান টেনেছে অনেকের। তবে বাবুল কবে শুভেন্দুকে নীল বাদে অন্য রঙের কোট পাঠান এখন সেটাই দেখার।

আরও পড়ুন: ভরসা পেলাম, আপনার উষ্ণতা ছুঁয়ে গেল, মমতাকে চিঠি জবাবে লিখলেন অমর্ত্য

এদিন বাবুল তাঁর বক্তৃতায় শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা করেন। বলেন, “ভাইপোকে যদি ভাইপো বলা হয় তাহলে তাঁর রাগ হয়। কই শুভেন্দুদাকে তো কেউ শিশির অধিকারীর ছেলে বলে না। কারণ তাঁর নিজের পরিচয় রয়েছে। কারও যদি পরিচয় পিসিকে দিয়ে হয় তাহলে তো তাঁকে ভাইপোই বলা হবে।”

এখন বাবুলের এই শুভেন্দু প্রসঙ্গে পঞ্চমুখ হওয়া নিয়ে নানা জনের নানা মত শোনা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির বৈঠকের পর বাবুল বলেছিলেন, “জিতেন বিজেপিতে এলে মন থেকে মেনে নিতে পারব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যারা দুর্গাপুর-আসাসোলে সন্ত্রাস করেছিলেন তাদের মধ্যে জিতেন্দ্র তিওয়ারি অন্যতম।”

বাবুল হয়তো এদিন শুভেন্দুর সামনে বোঝাতে চাইলেন, তোমায় নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। অন্যদিকে শুভেন্দুও বাবুলের প্রশংসা করে বলেন, “২০১৪ সালে বাংলায় বিজেপির দুটি সাংসদ ছিল। তারমধ্যে বাবুল জিতেছিলেন। পার্টির প্রতি নিবেদিত প্রাণ। পঞ্চায়েত ভোটেও লড়াই করেছেন”।

আরও পড়ুন:  বছরশেষে বাংলায় ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামবে আরও ২ ডিগ্রি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest