Cyclone Yaas: ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হল ‘ইয়াস’, বিপদ বাড়িয়েছে পূর্ণিমার কোটাল

আপৎকালীন ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হল— ১০৭০ এবং ০৩৩-২২১৪৩৫২৬।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

পূর্বাভাস মতোই সোমবার ভোরের দিকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হল ‘ইয়াস’। বুধবার সন্ধ্যায় স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝড়। কখনও কখনও ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে।আগামী বুধবার, ২৬ মে ল্যান্ডফল করবে ঘূর্ণিঝড়টি। সাগর ও পারাদ্বীপের মধ্যে ইয়াস আছড়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা।

ইয়াসের গতিপথ পরিবর্তনের আপাতত আর কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ পরিবর্তন করা আবহাওয়ার একটি বিশেষ উপাদান। কিছু অনুষঙ্গের ওপর নির্ভর করে। তারপরই বলা যেতে পারে, এই ঝড়ের গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে কিনা। সোমবার থেকে উপকূলীয় অঞ্চলগুলি, যেমন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলিতে সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে।

মৌসম ভবনের তরফে তরফে জানানো হয়েছে, শেষ ছ’ঘণ্টায় পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের একই জায়গায় আছে ‘ইয়াস’। সেই সময় শক্তি বাড়িয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আপাতত (সোমবার ভোর ৫ টা ৩০ মিনিট) পোর্ট ব্লেয়ারের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে ৬০০ কিলোমিটার, পারাদ্বীপের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে ৫৪০ কিলোমিটার, বালাসোরের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ৬৫০ কিলোমিটার এবং দিঘার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ‘ইয়াস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আকার ধারণ করবে।

কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে কোটাল
♦ আবহাওয়াবিদরা বলছেন পূর্ণিমায় আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস।

♦ ফলে ভরা কোটালে দুশ্চিন্তাও রয়েছে উপকূলে।

♦ বুধবার বিকাল ৩.১৫ মিনিটে ভাটা রয়েছে।

♦ ইয়াস যদি বিকালে ল্যান্ডফল করে, তাহলে দুশ্চিন্তা কিছুটা হলেও কম।

♦ সকাল ৯.১৫ মিনিট ও রাত ৯.৩০ মিনিটে ভরা কোটাল রয়েছে।

♦ ল্যান্ডফলের সময় অনেকটা এগিয়ে এলে বিপদ কম।

♦ ল্যান্ডফলের সময় অনেকটা পিছিয়ে গেলে বিপদ বেশি।

আরও পড়ুন: নারদ কাণ্ডে মন্ত্রী-বিধায়কদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদ, ক্ষোভপ্রকাশ করে দলত্যাগ রাজ্যের দুই বিজেপি নেতার

‘ইয়াস’-এর মোকাবিলায় জেলায় জেলায় তুঙ্গে প্রস্তুতি। বিন্দুমাত্র ফাঁক রাখা হচ্ছে না প্রস্তুতিতে। দুই মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় প্রশাসনিক স্তরে ঝড় মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। পাশাপাশি, সমুদ্রে থাকা মৎস্যজীবীদের আগামী কালের মধ্যেই ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

কোভিড বিধি মেনে সেল্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভাগুলিকে। সম্ভাব্য বিপজ্জনক জায়গা চিহ্নিত করে এলাকাবাসীকে প্রয়োজনে স্থানান্তরিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঝড়ে গাছ পড়ে গেলে, দ্রুত তা সরানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা, পানীয় জলের সরবরাহের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের সমস্ত ছুটি আপাতত বাতিল করা হচ্ছে। জেলা এবং ব্লক স্তরের কন্ট্রোল রুমকে ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রাখতে হবে। আমফানের মতো পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, তার জন্য বিদ্যুৎভবনেও বৈঠক হয়। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের তরফে সমস্ত পুরসভাগুলিকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবান্নের পাশে প্রশাসনিক ভবন উপান্নতে কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হয়েছে। যাবতীয় প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি। এনডিআরএফ টিম পৌঁছে গিয়েছে জেলায় জেলায়।

বেশ কয়েকটি কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে। আপৎকালীন ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হল— ১০৭০ এবং ০৩৩-২২১৪৩৫২৬।

আরও পড়ুন: ‘আমি দিদির সৈনিক, ভুল শুধরে নিতে চাই,’সোনালির পর এবার তৃণমূলে ফিরতে চান সরলা মুর্মু

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest