Durga Puja 2020: আর্জি খারিজ হাইকোর্টে, মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মণ্ডপে দর্শনার্থী প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চমীর দিন সকালে খারিজ করা হল ফোরাম অফ দুর্গোৎসবের আর্জি।

বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে রিভিউ পিটিশনের এদিন শুনানি হয়। ওই শুনানির পর বিচারপতিরা তাঁদের পূর্বতন রায় পুনর্বিবেচনা করে সামান্য পরিবর্তন করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, নো এন্ট্রি জোন তথা প্যান্ডেলের মধ্যে ঢাকিরা থাকতে পারবেন। তা ছাড়া বড় পুজোগুলোর মণ্ডপে কমিটির ৬০ জন সদস্য থাকতে পারবেন। একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪৫ জন মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন।

গত সোমবার যে রায় ঘোষণা করেছিলেন বিচারপতিরা তাতে বলা হয়েছিল, বড় পুজোগুলোতে পুজো কমিটির ১৫ জন সদস্য মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন। সেই সংখ্যাটাই এদিন বদল করা হয়েছে। তা ছাড়া আদালত আগে জানিয়েছিল, ওই ১৫ জনের তালিকা পরিবর্তন যোগ্য নয়। রোজ রোজ বদল করা যাবে না। তবে এদিন বিচারপতিরা জানিয়েছেন, ৬০ জনের তালিকা রোজ সকাল বদল করা যাবে। সকাল ৮ টার মধ্যে নতুন তালিকা দিতে হবে পুলিশকে।

এখন প্রশ্ন হল, বড় পুজো বলতে কাদের বোঝাচ্ছে? বিচারপতিরা জানিয়েছেন, যে সব মণ্ডপের আয়তন ৩০০ স্কোয়ার মিটার বা তার বেশি সেগুলিকে বড় মণ্ডপ বলে বিবেচনা করা হবে।

আরও পড়ুন: বদলে গেল ফেসবুক পেজের নাম! শুভেন্দুর হাত ধরে কী তবে বঙ্গ রাজনীতিতে নয়া মোড়?

এদিন সকালে শুনানি শুরু হলে কলকাতার দুর্গাপুজো কমিটিগুলির যৌথ ফোরামের তরফে আবেদনে বলা হয়, তারা কোনও ছাড় চাইছেন না। শুধু মণ্ডপগুলোতে যেন স্থানীয়দের সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত প্রবেশের অধিকার দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা পুজো দিতে পারেন। তাঁদের প্রবেশ ও বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আলাদা পথ থাকবে।

কিন্তু আদালত সরাসরি সেই আবেদন মেনে নেয়নি। তবে জানিয়েছে, পুজো কমিটির ৬০ জনের তালিকা রোজ পরিবর্তন যোগ্য। ফলে পুজো কমিটির ওই তালিকার মাধ্যমে স্থানীয়দের অন্তত একাংশ মণ্ডপে প্রবেশের অনুমতি পাবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে মোটের উপর বড় কোনও পরিবর্তন হল না। পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখার অবস্থানেই অটল থাকল হাইকোর্ট।

সোমবারের রায়ে হাইকোর্ট জানিয়েছিল, প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে ব্যারিকেড দিতে হবে। ছোটো মণ্ডপের ক্ষেত্রে পাঁচ মিটার দূরে ব্যারিকেড করতে হবে। বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে সেই ব্যারিকেডের দূরত্ব হবে ১০ মিটার। সেই নির্দেশ বহাল থাকছে। তবে দর্শকরা না ঢুকতে পারলেও নো এন্ট্রি জোনে থাকতে পারবেন ঢাকিরা। তবে তাঁরা মণ্ডপের ভিতরে ঢুকতে পারবেন না। মাস্ক পরার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্বের নিয়মবিধি মেনে চলতে হবে তাঁদের। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে সিঁদুরখেলার অনুমতি দেওয়ার জন্য আবদেন করে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই আবেদনও বুধবার খারিজ করে দিয়ে উচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন: KKR vs RCB: কোহালিদের বিরুদ্ধে ফিরছেন নারিন? জেনে নিন আজ নাইটদের সম্ভাব্য একাদশ

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest