বাড়ছে করোনা ,মঙ্গলবার থেকে বন্ধ সব স্কুল, যেতে হবে না শিক্ষকদেরও

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে স্কুলে আসতে হবে না শিক্ষিকাদেরও। সব সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা হয়েছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বাড়ছে করোনা। চলছে ভোটপ্রচার। তৃণমূল চেয়েছিল দফা কমিয়ে এনে ভোটটা সেরে ফেলতে। কমিশন রাজি নয়। করোনা বৃদ্ধি দেখে এই অবস্থায়  মঙ্গলবার থেকে রাজ্যের সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । করোনা সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের শিক্ষা দফতর। আপাতত গরমের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যত দিন পর্যন্ত এই পরিস্থিতি ঠিক না হয়, ততদিন রাজ্যের স্কুলগুলি বন্ধ রাখা হবে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে ।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে স্কুলে আসতে হবে না শিক্ষিকাদেরও। সব সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা হয়েছে। সেই সঙ্গে সব বেসরকারি স্কুলের কাছেও একই আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা দফতরের সঙ্গে মুখ্য সচিবের কথা চলছে। পরবর্তী ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন : রোজা পালন করছেন আইনজীবী, প্রশংসা করে শুনানি পিছলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়

রবিবারই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা (জেইই মেন)-এর এপ্রিলের পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এটি চলতি বছরের তৃতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা ছিল। এর আগের দু’টি প্রবেশিকা পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি ও মার্চে হয়ে গিয়েছে। গত শুক্রবার আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করা হয়। দেশে কোভিড সংক্রমণের বৃদ্ধির জন্য গত বুধবার সিবিএসই পরীক্ষার ক্ষেত্রেও প্রায় এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এ বার রাজ্যের সব স্কুলেও ছুটির ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।

এত সব কিছুর পরও কমিশন বাংলার ভোট করানোর ব্যাপারে বেজায় আগ্রহী। অনেকে বলছেন, আসলে তাদের হাতেও উপায় নেই। যাদের কথা মাথায় রেখে বাংলায় ৮ দফা নির্বাচন, তারা না বললে কমিশন কিছু করতে পারবে না। প্রতিটি রাজনৈতিক প্রচার ভিড়ে ঠাসা। অমিত শাহ তবুও প্রচার চান। কমিশন চাই ভোট। তাহলে লকডাউন কি কেবল গরিবের পেটে লাথি মারার জন্য ? প্রশ্ন আম আদমির।

বিজেপিকে যারা ২০১৪ থেকে কেন্দ্রে শাসক দল হিসাবে দেখছেন, তাদের অনেকের অভিযোগ এরা  ক্ষমতা দখল ছাড়া কিছু বোঝে না। অমিত যদি সত্যি বাংলার জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হতেন, তাহলে এমন করে বাংলায় পড়ে থাকতেন না।

ওদের দশাও সেই দিল্লির মতই হবে। দিল্লিতেও সব শক্তি দিয়ে বিজেপি লড়েছিল। অমিত শাহ সরকার গড়ার ফানুস উড়িয়েছিলেন। কিন্তু ঝাড়ুর ঝড়ে উজাড় হয়ে গিয়েছিল পদ্মের বাগান। বাংলাতেও তেমন আশংকা করছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতারা। এখন তাদের মান বাঁচানোর লড়াই। সে কারণেই মরিয়া তারা। করোনা সংক্রমণের কথা ভাববার সময় পর্যন্ত পাচ্ছেন না শাহ।

আরও পড়ুন : রোজ শশা আর টমেটো একসঙ্গে খান! কী বিপদ উঁকি দিচ্ছে জানেন?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest