বল্লভপুরের আদিবাসী পাড়ায় হঠাৎ মুখ্যমন্ত্রী, তরকারি রেঁধে, চা খেয়ে দিলেন টাকা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মঙ্গলবার বোলপুরে মেগা রোড শো করেছেন। বুধবারই তাঁর কলকাতা ফিরে আসার কথা। তার আগে আজ হঠাৎ করেই বোলপুর লাগোয়া বল্লভপুর গ্রামে আদিবাসী পাড়ায় চলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলির সদস্যদের সঙ্গে।

এদিন ডুমুরজলায় আসার পথে অস্থায়ী হ্যালিপেডে যাওয়ার আগে বীরভূমের বল্লভপুর ডাঙা গ্রামে ঢুকে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে কথা বলেন গ্রামের আদিবাসীদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীকে হাতের কাছে পেয়ে গ্রামের সমস্যার ফিরিস্তি তুলে ধরেন গ্রামবাসীদের অনেকেই। তাঁদের মধ্যে একজন সোনামণি সোরেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গ্রামে শৌচাগার না থাকার অভিযোগ জানান তিনি। সোনামনির কথা শুনেই সবার সামনেই জেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিএমকে ডেকে বকাবকি তো করেনই সঙ্গে নির্দেশ দেন, ১২৫ ঘর গ্রামবাসীর জন্য যেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শৌচাগার বানিয়ে দেওয়া হয়।

গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, আবাস যোজনায় অর্ধেক হয়ে তাঁদের ঘরের কাজ থমকে গিয়েছে। এই সমস্যার সমাধানেরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামের ভিতর কয়েকটি বাড়ি ঘুরতে ঘুরতে মুখ্যমন্ত্রী ঢুকে পড়েন গ্রামেরই একটা ছোট্ট খাবারের দোকানে। সেখানে তখন রান্না হচ্ছিল। কড়াইয়ে চাপানো আলু বরবটির তরকারি। খুন্তি দিয়ে নাড়তে শুরু করেন তিনি। কথা বলতে থাকেন দোকানের মালিকের সঙ্গে।

আরও পড়ুন: ভরসা পেলাম, আপনার উষ্ণতা ছুঁয়ে গেল, মমতাকে চিঠি জবাবে লিখলেন অমর্ত্য

বলে দেন, পাঁচফোড়ন সহ কী কী ব্যবহার করলে খাবারের স্বাদ বাড়বে। এরপর সেখানে দাঁড়িয়েই চায়ে চুমুক দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, জেলার দলীয় সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে চা দোকানিকে দিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে থেকে ৫০০ টাকা পেয়ে তো রীতিমতো হতচকিত চা বিক্রেতা। চোখে মুখে বিষ্ময় নিয়েই বলেন, ‘আপনি এসেছেন, এটাই যথেষ্ট, টাকা লাগবে না দিদি’। এরপরই দোকানির প্রত্যুত্তরে হেসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রেখে দাও, মিষ্টি খাবে।”

মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে এদিন বল্লভপুর গ্রামে ভিড় উপচে পড়ে। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীদের। আমলাদের নিয়ে জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সঙ্গে নিবিড়ে বাহুডোরে চলে যাওয়া নতুন নয়। অতীতেও বহুবার এই ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী নিজে গিয়ে চা বানিয়ে তাঁর অফিসারদের খাইয়েছেন। গত বছর দিঘায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানিয়ে সকলকে খাইয়েছিলেন তিনি। সেই ভিডিয়ো সোশাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছিল।

আরও পড়ুন: বছরশেষে বাংলায় ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামবে আরও ২ ডিগ্রি

 

 

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest