গুছিয়ে নিন ব্যাগ! অবশেষে হোটেল, রেস্তোরাঁ খোলার অনুমতি দিল রাজ্য, খুশি পাহাড়

ভ্রমণপিপাসু এবং পর্যটন ব্যবসায়ীদের জন্য শনিবার সুখবর দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পাহাড়ে হোটেল এবং রেস্তোরাঁ খোলার অনুমতি মিলল। তবে যে সব এলাকা কন্টেনমেন্ট জোনের আওতাভুক্ত বা করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে সে সব এলাকায় কোনও হোটেল বা রেস্তোরাঁ আপাতত খোলা যাবে না বলে জানানো হয়েছে।

দার্জিলিং হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এস পুলমবালন। তাতে জানানো হয়েছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে দার্জিলিং, মিরিক, কার্শিয়াংয়ের হোটেল, রেস্তোরাঁগুলি খোলা যাবে। তবে কন্টেনমেন্ট জোনের মধ্যে থাকা হোটেল, রেস্তোরাঁগুলি আপাতত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হাতছানি দিচ্ছে ঘাটশিলা! করোনা কাটলেই আবার বেরিয়ে পড়তে হবে সবুজ প্রান্তরে…

এই নির্দেশিকার কপি পাঠানো হয়েছে জিটিএ চেয়ারম্যান অনীত থাপা, জিটিএ–র প্রধান সচিব, দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপারকে। একইসঙ্গে একই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে সদর, কার্শিয়াং ও মিরিকের মহকুমা দফতরে।উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পর্যটকদের জন্য পাহাড় খোলা হবে বলে শোনা গিয়েছিল। এ নিয়ে পরপর দু’‌দফায় দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং–এর হোটেল, হোমস্টে মালিক ও পরিবহণ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকও করে‌ন জিটিএ আধিকারিকরা। অবেশেষে পাহাড়ের রাস্তা খুলে গেল সকলের জন্য।

অন্যদিকে, অক্টোবরের পর থেকে পর্যটকদের জন্য ফের নিজেদের দরজা খোলার পরিকল্পনা করছে সিকিম। করোনা আতঙ্কের আবহে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ গন্তব্য হিসাবে তুলে ধরতে বদ্ধ পরিকর রাজ্য পর্যটন দফতর। রাজ্যের জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশকে নিযুক্ত করে লকডাউনের কারণে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী পর্যটন দফতর।

আরও পড়ুন: দুনিয়া দেখার ইচ্ছে থাকলে এই সুযোগ! এবার দিল্লি থেকে লন্ডন যেতে পারবেন বাসে…