আমফানে লন্ডভন্ড বোটানিক্যাল গার্ডেনের ‘দ্য গ্রেট ব্যানিয়ন ট্রি’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

শিবপুর: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান ছাড়েনি কাউকেই। যেভাবে সে তার ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তাতে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে কারোর বসত, কেউ তো আবার প্রাণও হারিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রভাব ফেলছে এশিয়ার সবথেকে প্রাচীন শিবপুর আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু উদ্ভিদ উদ্যানেও। আরও পড়ুন: ভয়াবহ দুর্ঘটনা: করাচিতে ভেঙে পড়ল পাক বিমান আমফানে ছাড় পায়নি বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ বটগাছটিও। ঝড়ের প্রবল দাপটে হাওড়ার বোটানিক্যাল গার্ডেনের।

অতীতেও ঝঞ্ঝার দাপট পোহাতে হয়েছে সুপ্রাচীন বটবৃক্ষটিকে। ১৮৬৪ ও ১৮৬৭ সালের দুটি সাইক্লোনে ৪.৬৭ একর জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছের মূল গুঁড়িটি সাংঘাতিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার জেরে ১৯২৫ সালে সেটি কেটে বাদ দেওয়া হয়। এবারের ঝড়ে গাছটির উত্তর-পশ্চিম কোণে বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাওয়ার ফলে বিশাল গহ্বর তৈরি হয়েছে। 

শুধুমাত্র ২৭৩ একর জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বটানিক্যাল উদ্যানের এই প্রপিতামহই নয়, আমফানের দাপটে এখানকার ১৫,০০০ গাছের মধ্যে একহাজারেরও বেশি নষ্ট হয়েছে। বসন্ত কুমার সিং জানিয়েছেন, শতক পার হওয়া কল্পবৃক্ষ (বাওবাব গাছ) এবং বিচিত্র ম্যাড ট্রি-ও সাইক্লোনের তাণ্ডবে শিকড় সমেত উপড়ে গিয়েছে। 

দুর্যোগে প্রবল ক্ষতি হয়ে গিয়েছে বটানিক্যাল উদ্যানের মনোরম মেহগনি অ্যাভিনিউয়ের। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে সুবিশাল বাঁশঝাড়, রকমারি পাইনগাছের জন্য প্রসিদ্ধ পিনাটাম এবংচারাগাছ তৈরি করার গার্ডেন নার্সারি। 

Gmail 2

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest