জেলা সভাপতি সহ ১৪ জনকে শো-কজ, বর্ধমানে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলাতে নাজেহাল বিজেপি

৭ দিনের মধ্যে এই শো-কজ নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছ। জবাব সন্তোষজনক না হলে, অভিযুক্তদের বহিষ্কারের পথে হাঁটতে পারে বিজেপি।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বর্ধমানে চাপে রয়েছে বিজেপি (BJP)। শো-কজ (Show Cause) করা হল জেলার এক ঝাঁক নেতাকে। মোট ১৪ জনকে শো-কজ করলেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নির্দেশেই এই শো-কজ করা হয়েছে।

শো-কজ (Show Cause) করা হয়েছে জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকেও। বৃহস্পতিবার বর্ধমানে বিজেপির (BJP) দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের জেরে ভাঙচুর চলে বর্ধমান শহরে নতুন উদ্বোধন হওয়া বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে। ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বেশ কিছু গাড়িতেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে দলের তরফে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে শো-কজ করার কথা জানান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ, ২১ জানুয়ারি বর্ধমান জেলা দলীয় কার্যালয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি, সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সদস্যরা। দলের কাছে এটা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এই কাজ দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বসে বেনামে টুইট, কৃষকদের উস্কে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, দাবি অমিত শাহের পুলিশের

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ৭ দিনের মধ্যে এই শো-কজ (Show Cause) নোটিসের জবাব দিতে। সন্তোষজনক জবাব না হলে, ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) সংবিধানের ২৫এ ও ২৫সি অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্য নেতৃত্ব অভিযুক্তদের দল থেকে তত্ক্ষণাত্ বহিষ্কারের পথে হাঁটতে পারেও বলেও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।

একথা শুনে অনেকে বলছেন, গোটা রাজ্যজুড়েই তো বিজেপির এই অবস্থা। একেবারে ওপরতলা থেকে নিচে পর্যন্ত।তাছাড়া এখন আবার বিজেপিতে অন্য একটি গুন্ দেখা হচ্ছে। যারা বিজেপির জন্য এতদিন খাটল তাদের গুরুত্ব নেই। বিজেপি দেখছে ওই নেতা তৃণমূল ফেরত কিনা।যদি তৃণমূল ফেরত হয়, তাহলে তার স্থান ওপরে।যদি দুর্নীতির ফুটেজ থাকে তাহলে তার স্থান আরও একটু ওপরে। সে কারণে পূর্ণ বিজেপি কর্মীদের অসন্তোষ বাড়ছে। আর সেই অসন্তোষ কমানোর জন্য খুব জোরে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে পরিস্থিতি সামাল দেবার চেষ্টা হচ্ছে।

মিডিয়া এখনও ‘জয় শ্রীরাম’ নাম নিয়ে চিৎকারকে ‘স্লোগান’ বলছে না। তারা এটিকে ‘ধ্বনী’ বলে সম্বোধন করছে। যেহেতু বিশেষ রাজনৈতিক দল এটি তাদের সাম্প্রদায়িক উদ্দেশে ব্যবহার করে, তাই একে অবশ্যই ‘স্লোগান’ বলা উচিত।মিডিয়ার ‘দুর্বলতার’ মতান্তরে ‘ধান্দাবাজিতার’ সুফল বিজেপি যে ঘরে তোলার চেষ্টা করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে কয়েক হাজার কৃষকের পদযাত্রা,কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে সভা মুম্বইয়ে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest