শীতলকুচিতে গুলি, মৃত প্রথমবারের ভোটার, নিজেদের কর্মী হিসেবে দাবি TMC এবং BJP-র

ইতিমধ্যেই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ঘটনায় দু'জনকে আটক করা হয়েছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে (TMC-BJP Clash) উত্তপ্ত শীতলকুচি। চতুর্থ দফার ভোট (West Bengal Assembly Election 2021 Phase 4) গ্রহণের দিন ভোটের লাইন শুরুর সময় থেকেই রণক্ষেত্রের  (Bengal Poll Violence) চেহারা নেয় কোচবিহারের শীতলকুচির পাঠানটুলি, খলিসামারি। সংঘর্ষের জেরে চলল গুলি (Firing)। খলিসামারিতে বোমাবাজির (Bombing) অভিযোগ।

এ দিনের গুলিকাণ্ডে ১৮ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক চাপানউতোর। মৃত ওই যুবকের নাম আনন্দ বর্মণ। বিজেপির (BJP) দাবি, যে যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তিনি বিজেপির কর্মী। পাল্টা তৃণমূলের (AITMC) দাবি, তাঁদের কর্মীর মাথায় গুলি লেগেছে। তবে তিনি আদতে তৃণমূল নাকি বিজেপি কর্মী তা স্পষ্ট নয় এখনও।

এদিন সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শীতলকুচি। সাত সকালেই পাগলাপীর এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী জখম হয়। এরপর থেকেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপরই শীতলকুচির পাঠানপুলি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ভোটের লাইনেই গুলি করা হয় আনন্দকে। অভিযোগ বিজেপির। মৃত তরুণের পরিবারের দাবি মাত্র ১৮ বছরের আনন্দ প্রথম ভোট দেওয়ার জন্য সকাল সকাল ভোট গ্রহণকেন্দ্রের দিকে রওনা দেন। কিন্ত ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের কাছেই তাঁকে গুলি করা হয়। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ওই তরুণ তাঁদের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরেই এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছিল তৃণমূল। এদিন সকালেও পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। এলাকায় ব্যাপক গুলি চলে ও বোমাবাজি হয়।

আরও পড়ুন: ‘শখের’ প্রার্থীর সম্পত্তির পরিমাণ ৬৫০ কোটি! তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা নাটাবাড়ির তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ওই তরুণ আমাদের কর্মী। বিজেপির হার্মাদরা তাকে গুলি করে খুন করেছে। এই ঘটনা কোনওভাবেই মানা যাবেনা। গোটা জেলা জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি। এদিকে ঘটনার পরই এলাকায় টহলদারি শুরু করে কমব্যাট ফোর্স। গ্রামবাসীদের সঙ্গে বচসা বেধে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয় সংবাদ মাধ্যম। লাঠি, বাঁশ হাতে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন গ্রামবাসীরা। দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে দুপক্ষের। এলাকায় বোমাবাজিও শুরু হয়। গ্রামবাসীদের ছত্রভঙ্গ করতে উদ্যত হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে ক্রমশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, শীতলকুচিতে এক পুলিশকর্মীও জখম হয়েছেন। অপর এক বাসিন্দা দুলু মিঁয়াও গুরুতর জখম হয়েছেন। বেলা যত বাড়ছে এলাকায় উত্তেজনার পারদও চড়ছে।

ইতিমধ্যেই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ঘটনায় দু’জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় র‍্যাফ, কমব্যাট ফোর্স নামানো হয়েছে। যুবকের দেহ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ময়না তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মাথাভাঙ্গায় মর্মান্তিক মৃত্যু ৪ জনের! স্বীকার কমিশনেরও

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest