৭ দিনের মধ্যেই কমাতে হবে আলুর দাম, না হলে কড়া ব্যবস্থা, পড়তে পারে রপ্তানিতে কোপ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আগেই সাবধান করা হয়েছিল পাইকারি বাজারের আলু ব্যবসায়ীদের। কিন্তু অভিযোগ, তাঁদের কেউই সরকারি নির্দেশ কানে তোলার প্রয়োজন বোধ করেনি। দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে আলুর দাম। শুক্রবার রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে জ্যোতি আলু বিকিয়েছে ৩২ টাকা কেজি দরে। আর চন্দ্রমুখী কেজি প্রতি ৩৬ টাকা। কলকাতার বিভিন্ন বাজারে কয়েকদিনের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি আলুর দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা।

পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, আলুর নাকি জোগান নেই, তাই দাম বেড়েছে। আর সে কথা কানে তুলতে নারাজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার নিল কড়া ব্যবস্থা। শুক্রবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে এনফোর্সমেন্ট বিভাগের আধিকারিক, আলু ব্যবসায়ী সংগঠন, ট্রেডার্স সংগঠন ও হিমঘর সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে হাজির ছিলেন কৃষি বিপণন দফতরের সচিবও। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ৭ দিনের মধ্যে আলুর দাম না কমালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন : হঠাৎ পদত্যাগ জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের, ক্ষমা চাইলেন দেশবাসীর কাছে

একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, নবান্ন থেকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে হবে আলু। হিমঘর থেকে বেরনোর সময় আলুর দাম রাখতে হবে ২২ টাকা প্রতি কেজি। এর পর সেটি সর্বোচ্চ ২৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে পাইকারি বাজারে। সাধারণ মানুষ যখন আলু কিনবেন তখন কেজি প্রতি দাম ২৫ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না। আর ৭ দিনের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণ না করা হলে পাইকারি বাজারে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে রপ্তানিও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

পুরো ব্যাপারটি যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়ে তার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে এদিন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, পাইকারি ও খুচরো বাজারে সঠিক দাম নেওয়া হচ্ছে কিনা তার নিশ্চিত করতে নজরদারি চালাবেন কৃষি বিপণন দফতরের আধিকারিকরা। প্রশ্ন হল তাতে কি সমস্যা মিটবে?

আরও পড়ুন : সংক্রমণে বিশ্বের রেকর্ড ভাঙল ভারত, একদিনে আক্রান্ত ৭৭ হাজারের বেশি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest