কৃষি বিলের প্রতিবাদে পথ অবরোধ বাংলার কৃষকদেরও,আমরাই আয় বাড়িয়েছি দাবি মোদির

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

লোকসভায় কৃষি বিল পাসের বিরোধিতায় আজ, শুক্রবার দেশ জুড়ে বন্‌ধ ডেকেছেন কৃষকরা। আর তাতে সামিল হয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। এদিন রাজ্যে হাইওয়ে ও রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানাবেন কৃষকরা। এদিকে, এই বিলের নতুন আইনগুলির বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করার জন্য রাজ্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন দাবি করেছে কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট।

কোনও বিতর্ক বা পরামর্শ না করেই এভাবে সংসদীয় পদ্ধতি, ফেডারেল নীতি এবং রাজ্য ও কৃষকদের অধিকার লঙ্ঘন করে বিল পাস করানোর জন্য বিজেপি সরকারের নিন্দায় সরব হয়েছে সিপিএমের কৃষক সংগঠন অল ইন্ডিয়া কিসান সভা (এআইকেএস)। আজ, ২৫ সেপ্টেম্বর, তারা পশ্চিমবঙ্গের দিকে দিকে হাইওয়ে ও পথ অবরোধ করে গণবিক্ষোভ জানাবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন : পাক অধিকৃত গিলগিট-বালটিস্তানে ফের ভোট করানোর সিদ্ধান্ত ইসলামাবাদের, আপত্তি জানাল নয়াদিল্লি

সিপিএমের কৃষক সংগঠন এআইকেএসের সভাপতি অশোক ধাওয়ালে এক বিবৃতিতে বলেছেন, বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলিকে খুশি করার জন্য এই বিলগুলি পাস করানো হয়েছে। সিপিএমের শ্রমিক ইউনিয়ন সিটু–র সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেছেন, কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের এই লড়াইয়ে যোগ দেবে সিটু। এই আন্দোলনে পায়ে পা মেলাবেন সকল শ্রমিক সংগঠন, শ্রমিক এবং ইউনিয়নগুলি।

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের আবদুল মান্নান এবং বামফ্রন্ট নেতা সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখেছিলেন। যাতে তাঁকে এই বিলের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করার জন্য একটি বিশেষ অধিবেশনের আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।

গোটা দেশের কৃষকরা যখন ফুঁসছে, তখন মোদী দাবি করছেন, ‘আমরাই কৃষকদের আয় বাড়িয়েছি। নোট বাতিলকে যিনি জনগনের লাভ বলে দেখান,তাঁর ক্ষেত্রে এমন দাবি বেমানান নয়। দেশজুড়ে যেভাবে জিএসটি লাগু হয়েছিল তাতে মোদী ভক্তরাও ক্ষুব্ধ। অথচ মোদী দাবি করেন সবাই নাকি উৎসবের মেজাজে জিএসটি দিতে চাইছে। নোটবাতিল, জিএসটি এবং লকডাউন সবকটি সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হয়েছে অত্যন্ত খারাপ ভাবে। যার খেসারত দিতে হয়েছে দেশবাসীকে। তবে প্রচারে বিদ্বেষের ফোড়ন দিয়ে মূল সমস্যা থেকে দৃষ্টি পাকিস্তান অভিমুখে করতে পারাটাও মোদী বাবুদের যোগ্যতা, সন্দেহ নেই। নোট বন্দির সময় মোদী বাবুর স্লোগান ছিল পেটিএম কর। অনলাইন ট্রানজেকশনের ওপর ছিল তাঁর সবথেকে জোর। কিন্তু এখন সেসব অতীত। ভক্তকুল ভুলেও গিয়েছেন সেসব কথা।

কৃষি বিলের অন্যতম সমস্যা হল কর্পোরেট এবং কৃষকদের মধ্যে কোনও যোগসূত্র নেই। কৃষকদের পক্ষে কোনওভাবেই কর্পোরেদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব নয়।সরকারই এই কৃষকদের কথা শোনে না। তাদের সুইসাইড করতে হয় ফি বছর। তাছাড়া কর্পোরেট কৃষকদের মিনিমাম প্রাইস দিলে কৃষকদের কি করণীয় সরকার সে সম্পর্কে নীরব। এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটা বিল সংসদে আলোচনা না করে কেবল অর্ডিন্যান্স মারফত জোর খাটিয়ে পাশ করিয়ে নিল কেন্দ্র । কি এমন তাড়া ছিল? কর্পোরেটরা কী খুব চাপ দিচ্ছিলো? গোটাটাই তিন তালাক কেস হয়ে গেল! যাদের সমস্যা তারাই সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করছে। কিন্তু সরকার বাহাদুর দাড়িতে হাত বুলাচ্ছেন। এমনটাই মনে করছেন চেতনা সম্পন্ন লোকজন।

আরও পড়ুন : বলিউডের মেয়েরা সবাই ড্রাগখোর আর ছেলেরা ধোয়া তুলসী পাতা! মাদক কাণ্ডে পিতৃতন্ত্রকে বিঁধলেন মিমি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest