করোনা হলে জড়িয়ে ধরবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, বিজেপিতে পদ পেয়েই কুরুচিকর মন্তব্য অনুপম হাজরার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

করোনা (Coronavirus) নিয়ে চিন্তিত তামাম বিশ্ববাসী। করোনা সংক্রমিত হওয়ার আগেই আতঙ্কে থরহরি কম্প দশা। কিন্তু সেভাবে চিন্তিত নন সদ্য নির্বাচিত বিজেপির সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক অনুপম হাজরা। ভাইরাস আক্রান্ত হলে কী করবেন, তা ইতিমধ্যেই স্থির করে ফেলেছেন তিনি। সেকথা জনসমক্ষে জানিয়েছেনও তিনি। আর তাঁর এই উত্তর নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। অনেকেই অনুপমের সমালোচনাও করেছেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক কর্মিসভায় যোগ দিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন সদ্য নিযুক্ত বিজেপি–র কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।

এদিনের ওই কর্মিসভায় প্রচুর সংখ্যায় বিজেপি কর্মী–সমর্থকরা হাজির হন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দূর বেশিরভাগ লোকজনের মুখে এদিন মাস্কই ছিল না। সাংবাদিকরা অনুপম হাজরাকে প্রশ্ন করেন, কেন তাঁর বা সভায় উপস্থিত লোকজন মাস্ক পরেননি?‌ এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন অনুপম। তিনি বলেন, ‘‌আমাদের কর্মীরা করোনার থেকেও বড় শত্রুর সঙ্গে লড়াই করছেন। তাঁরা লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তাঁরা (তৃণমূল)‌ যেহেতু করোনা আক্রান্ত হয়নি তাই আমাদের কর্মীরাও আর কোনও ভয় পায় না। আমার যদি করোনা হয় তবে আমি মমতা বন্দোপাধ্যায়কে জড়িয়ে ধরব।’‌

আরও পড়ুন: বর্ধমানের শিশু শিক্ষাকেন্দ্রের শৌচালয়ে বিস্ফোরণ, উড়ে গেল ছাদ

কেন এই কান্ড করবেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। অনুপম বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে একটু বেশিই ভালোবেসেছেন করোনার সময়। মানুষের লাশ যেভাবে পুড়িয়েছেন, আমাদের বাড়ির কুকুর-বিড়ালকেও পোড়ানো হয় না। কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়েছেন। ছেলের মৃত্যু হয়েছে বাবাকে মুখ দেখতে দেওয়া হয়নি। ভাইয়ের দেহ নেওয়ার জন্য ১২-১৩ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। তিনি রাজ্যবাসীকে কাঁদিয়েছেন। তৃণমূলকে সমুলে উৎখাত করাই মূল লক্ষ্য। প্রয়োজনে আঙুল বাঁকাতে হবে।”

এ ব্যাপারে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‌কেবল উন্মাদ এবং অপরিণত ব্যক্তির দ্বারাই এ ধরনের কথা বলা সম্ভব। অনুপম হাজরার এই কথাগুলি শুনলে যে কেউ বুঝতে পারবে যে ও কী ধরনের মানুষ।’‌

উল্লেখ্য, ২০১৯–এর লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান অনুপম হাজরা। আর সেই ভোটে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে হেরে যান অনুপম। ৪০ বছর ধরে বিজেপি–র সঙ্গে যুক্ত পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাহুল সিনহাকে সরিয়ে বিজেপি–র কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদে আসীন হন অনুপম। এতে ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহা এক বিবৃতিতে আক্ষেপ করে বলেন, ‘‌জন্মলগ্ন থেকে দলের সেবা করার পর এখন তৃণমূল থেকে আগত লোকজনের জন্য আমাকে সরিয়ে দেওয়া হল।’‌

আরও পড়ুন: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হলেন মুকুল রায়,বড় পদে অনুপম হাজরাও

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest