Tata group has not acted in the interest of the country : Piyush Goyal

দেশের স্বার্থে কাজ করেনি টাটা গোষ্ঠী, মোদীর এই মন্ত্রীর মন্তব্যে চটেছে শিল্পমহল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

শিল্পপতিদের দল হিসেবে ‘সুনাম’ রয়েছে বিজেপির। বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীদের থেকে আর্থিক সাহায্য নিয়ে নিজেদের তহবিল ভরিয়েছে পদ্ম শিবির। সাম্প্রতিক অতীতে আম্বানি-আদানিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে সরকারের। যা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। এরই মাঝে ওপর শিল্প গোষ্ঠী টাটাকে ‘দেশ বিরোধী’ বলে তোপ দাগলেন মোদির মন্ত্রী।

আলোচিত ব্যক্তি হলেন মোদির ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পীযুষ গোয়েল। যিনি এই মুহূর্তে বাণিজ্য-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। আগে রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। সেই মন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছে টাটা গোষ্ঠীর প্রতি বিদ্বেষ। তিনি জানিয়েছেন যে বিদেশী সংস্থা কিনে দেশকে ভুলে যাচ্ছে টাটা গোষ্ঠী। যা ‘দেশ বিরোধিতা’র সমতুল।

পীযূষ গোয়েলের ১৯ মিনিটের ভিডিওটি প্রকাশ করে দা হিন্দু। কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রির অনুষ্ঠানে পীযূষ টাটা গোষ্ঠীকে খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘কিয়া আপকি জয়সি কোম্পানি, এক দো আপ্নে সায়েদ কোই বিদেশি কোম্পানি খরিদ লি।।। উসকা ইম্পোর্টেন্স জিয়াদা হো গায়া, দেশ হিত কাম হো গায়া ?

পরিস্থিতির চাপে পরে তড়িঘড়ি কেন্দ্র কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে বলে যেন ইউটিউব থেকে এই ভিডিওটি দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু তারই মাঝে বহু জনের কাছে ছড়িয়ে পরে পীযূষের এই কটাক্ষ।

খুব স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মুখে এই ধরণের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। পীযুষের ওই মন্তব্যের পরেই আলোচনা শুরু হয়েছে বিজেপির জন্য কত টাকা চাঁদা দিয়েছে টাটা গোষ্ঠী। সেই সঙ্গে বিজেপি রিলায়েন্স ছাড়া অন্যন্য শিল্প গোষ্ঠীদের দেওয়া চাঁদার পরিমাণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিনিময়ে তাঁদের লাভক্ষতির হিসেব নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।

আরও পড়ুন :  তৃতীয় ফ্রন্টের পুরনো গপ্পো নয়, কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়েই বিজেপি বিরোধী জোট চায় তৃণমূল

২০১৮-১৯ সালে টাটা গোষ্ঠী বিজেপিকে ৩৫৬ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছিল। আর কংগ্রেসকে দিয়েছিল মাত্র ৫৫ কোটি টাকা। যা বিজেপিকে দেওয়া চাঁদার মাত্র ১৫ শতাংশ। কিন্তু টাটাদের টেলিকম এবং এয়ারলাইন্সের ব্যবসার স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছে। অন্যদিকে, সুনীল ভারতী মিত্তাল এবং বিড়লা ২০১৪ সালে ৫৯৪ কোটি টাকা দিয়েছিল বিজেপিকে। যা তাঁদের মোট দেওয়া চাঁদার ৮২ শতাংশ। বাকী ১৮ শতাংশ কংগ্রেস, তৃণমূল, বিজেডি, আপ প্রভৃতি দল পেয়েছিল। তাঁদের টেলিকম ব্যবসা(এয়ারটেল-আইডিয়া) ধুঁকছে।

২০১৯-২০ সালে রাজনৈতিক বন্ডের অধিকাংশই গিয়েছিল বিজেপির ঝুলিতে। মোট ৩৪৪১ কোটি টাকা রাজনৈতিক বন্ড সংগ্রহ করেছিল দলগুলি। যার ৭২ শতাংশ নিজেদের ঝুলিতে নিতে সক্ষম হয়েছিল বিজেপি। যার পরিমাণ ২৫৫৫ কোটি। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে বিজেপির হাতে ছিল ১৯০৫ কোটি টাকা। এক বছর পরে সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৩৫৫৫ কোটি টাকাতে।

আরও পড়ুন : Ligue 1: PSG-র ম্যাচে আজ দর্শক মেসি, মাঠে নামবেন কবে থেকে?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest