বিদ্যুৎ-বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ মেটিয়াবুরুজ, মুখ ফাটল তৃণমূল বিধায়কের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ওয়েব ডেস্ক: উত্তপ্ত নাদিয়াল থানার কাঞ্চনতলা। ইটের ঘায়ে মাথা ফাটল মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল বিধায়কের। আমফানের তাণ্ডবের ৬দিন পরেও ফেরেনি বিদ্যুৎ। এলাকার এক অংশে এসেছে বিদ্যুৎ, অন্য অংশ এখনও বিদ্যুৎহীন। আর তাই নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে স্থানীয়রা। রাস্তা অবরোধকে কেন্দ্র করে শুরু হয় গণ্ডগোল।  

প্রায় ছয়দিন কেটে গিয়েছে আমফানের তাণ্ডবের। কিন্তু এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। বিভিন্ন জায়গায় আসেনি বিদ্যুৎ-পানীয় জল। মানুষের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে ক্ষোভ। আর এই দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নাদিয়াল থানার কাঞ্চনতলা এলাকা। দীর্ঘ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ নেই। কবে আসবে প্রশাসনের তরফেও কিছু বলা হচ্ছে না। আর সেই দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।

আরও পড়ুন: সারেনি আমফানের ক্ষত, কলকাতা-সহ ৬ জেলায় ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী

ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল বিধায়ক আবদুল খালেক মোল্লা সেখানে পৌঁছতেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। উত্তেজিত জনতার মারে মুখ ফেটে গিয়েছে বর্ষীয়ান বিধায়কের। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে সিএমআরআই হাসপাতালে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার বলা সত্ত্বেও আসেনি ইলেকট্রিক সাপ্লাইয়ের গাড়ি। সাত দিন ধরে বিধায়ককেও দেখা যায়নি। তার মধ্যেই ইদ গিয়েছে গতকাল, সোমবার।ছয়দিন কেটে গেলেও এখনও স্বাভাবিক নয় কলকাতার পরিস্থিতি। শহর এবং শহরতলির বই জায়গায় নেই বিদ্যুৎ। আর তা না থাকার ফলে শহরের বিভিন্ন অংশে মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। চলছে আন্দোলন-বিক্ষোভ। তেমনই নাদিয়াল থানার এই কাঞ্চনতলা এলাকায় ক্রমশ বাড়ছিল ক্ষোভ। আজ মঙ্গলবারও বিদ্যুৎ না আসায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। শুরু হয় রাস্তা অবরোধ।

যদিও এলাকারই একটা অংশে বিদ্যুৎ চলে আসে কয়েকদিন আগেই। ফলে রাস্তা অবরোধ শুরু হতেই অপর অংশের লোকজন আন্দোলনকারীদের উঠে যেতে বলে। আর সেই সময় দুপক্ষের বচসায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক উত্তেজনা। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। নামানো হয় র‍্যাফ।

এদিন বিকেল সওয়া পাঁচটা নাগাদ বিক্ষোভ শান্ত করতে বদরতলায় যান বিধায়ক। ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই শুরু হয় গালিগালাজ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তেজনা দেখে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে আসছিলেন বিধায়ক। তখনও গালিগালাজ করা হচ্ছে শুনে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি। প্রতিবাদ করতেই বিক্ষোভরত জনতা মারতে শুরু করে তাঁকে।

আরও পড়ুন: হতশ্রী! ক্ষতির হিসেব করতেই অবশেষে খুলে গেল বইপাড়া

Gmail 3

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest