পৃথক উত্তরবঙ্গ রাজ্যর দাবি, বঙ্গভঙ্গের আওয়াজ তুললেন খোদ বিজেপি সাংসদ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বঙ্গভঙ্গের দাবি তুললেন খোদ বিজেপি সাংসদ। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লার দাবি, উন্নয়নের স্বার্থে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ আলাদা রাজ্য হওয়া জরুরি। তিনি উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন। আর সাংসদের এই বঙ্গভঙ্গের দাবিতে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

জন বার্লা নিজের সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করে বলেন, কেন উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য করতে চান তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার চিকেন নেক এলাকার দখল নিয়েছে বাইরের বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা। তাঁরা রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড বানিয়েছেন আর বাংলার মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই এলাকার বহু মানুষ ঘর ছাড়া। ঘরে ফিরতে তাদের ঘুষ দিতে হচ্ছে।

উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা সম্ভব হলেই উন্নয়ন হবে, সুরক্ষিত হবে মানুষ। সাংসদের সাফাই, এই দাবি তাঁর নয়। সাধারণ নাগরিকরাই এই দাবি তুলছেন। তিনি তা তুলে ধরেছেন কেন্দ্রের কাছে। তাঁর কথায়, কামতাপুরি আন্দোলন, গ্রেটার কোচবিহার, ষষ্ঠ তফশিলি তালিকাভুক্তের দাবিকে সম্মান জানিয়েই তিনি পৃথক রাজ্য চাইছেন।

আরও পড়ুন: মা, বাবা-সহ পরিবারের ৪ সদস্যকে ‘খুন’, মালদহে গ্রেফতার যুবক

বিজেপি সাংসদের এই দাবির কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপির আসল চরিত্র বেরিয়ে এসেছে ওই দাবির সঙ্গে সঙ্গে। বিজেপির সঙ্গে কেএলও জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগের জোরালো অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদরা উত্তরববঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করার দাবি তুলছেন। কেএলও নেতাদেরও তো একই দাবি।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “নতুন করে আর বঙ্গভঙ্গ হতে দেব না৷ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মানে কী? জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ির জমি বিক্রি করে দেবে? মুখে চিনের বিরোধিতা করবে আর বাস্তবে চিনের হাত শক্ত করবে?” তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, “কোনওরকম হিংসার বিষ ছড়ানো বরদাস্ত করা হবে না এই বাংলায়, এটা বিজেপি জেনে রাখুক।” বিরোধিতা করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।তিনি বলেছেন, “এধরনের মন্তব্য সংকীর্ণ রাজনীতির পরিচয়। এটা বাংলার সঙ্কট। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে গোটা বাংলাকে রুখে দাঁড়াতে হবে।”

তবে জন বার্লার বক্তব্যের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল রাজ্য বিজেপি। সাফ জানাল তারা বাংলা ভাগ চায় না। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘আমরা চাই রাজ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক।’

আরও পড়ুন: মা, বাবা-সহ পরিবারের ৪ সদস্যকে ‘খুন’, মালদহে গ্রেফতার যুবক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest