সলপের পর ডোমজুড় জুড়ে পড়ল পোস্টার, মীরজাফর–গদ্দার–বেইমান বলে কটাক্ষ রাজীবকে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মুকুল রায় বিজেপিতে ফিরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের জল্পনা। আর তারপর আবার ডোমজুড় জুড়ে পোস্টার পড়ল। আগেও পড়েছিল এবারও পড়ল। শনিবার সকালে ডোমজুড়ের বাঁকড়া এলাকায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে পোস্টার এবং ফ্লেক্স দেখা যায়। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই পোস্টারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন নাম ছিল না। তবে আগে যে পোস্টার পড়েছিল সেখানে নাম ছিল বিজেপি নেতার।

আরও পড়ুন :  জঙ্গি হানায় ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, লস্করের হামলায় নিহত দুই পুলিশকর্মী সহ ৪

‘বাংলায় বিশ্বাসঘাতকদের কোনও ঠাঁই হবে না’। নাম না করে, এবার বিজেপি নেতা তথা ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ল তাঁরই এলাকায়। পাশাপাশি, পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানিয়ে সেচ দফতরে তদন্ত কমিটি গড়ে বিশ্বাসঘাতকদের গ্রেফতারের দাবিও জানানো হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কের দাবি, ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কুৎসা রটানোয় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দলীয় কর্মীদের।

উল্লেখ্য, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সেচমন্ত্রী বনমন্ত্রী থাকাকালীন বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের কিছুদিন আগে রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবারের নির্বাচনে দাঁড়িয়ে তিনি হেরেও যান। সম্প্রতি তিনি একটি টুইটে লেখেন, ‘‌কথায় কথায় দিল্লি বা ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে তা বাংলার মানুষ ভাল চোখে নেবে না।’‌ এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের ফেরা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। তখনও একইভাবে ডোমজুড়ের সলপ এলাকায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়তে দেখা যায়।

নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছে রাজীবকে। প্রাক্তন সৈনিককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজীবের কেন্দ্র হাওড়ার ডোমজুড়ের সভামঞ্চ থেকে মমতা বলেছিলেন, ‘ডোমজুড়ের কাছে ক্ষমা চাইছি। কারণ, গত বছর এখানে গদ্দারকে প্রার্থী করেছিলাম। গদ্দার জনগণের টাকা মেরেছেন। আমায় বলেছিল, ওকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট দেওয়া হোক। যাতে আরও কমিশন নিতে পারে। সেচ দফতরে দুর্নীতি করে অনেক টাকা করেছে। অভিযোগ আসায় ওকে সেচ দফতর থেকে সরিয়ে দিই। পরে বন দফতর দিই। বুঝতে পারিনি তার ভিতরে এত প্যাঁচ রয়েছে। কলকাতায়, দুবাইয়ে অনেক সম্পত্তি করেছে। যাও মানুষকে জবাব দাও।

আরও পড়ুন : শোনো কমরেড শোনো…এই সিপিমের ইতিকথা !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest