ইয়াস প্রস্থানের পরেও টর্নেডোয় লন্ডভন্ড অশোকনগর, গুমা, ক্ষতিগ্রস্ত বহু বাড়ি

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ এই টর্নেডো দেখা যায়। অশোকনগর থানা এলাকার গুমার খ্রিস্টান পাড়া ও কালিকাপুর এলাকায় তাণ্ডব চালায় এই টর্নেডো।৩ থেকে ৪ মিনিট ছিল টর্নেডোর স্থায়িত্ব। তার ধাক্কায় ১৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ বা ‘ইয়াস’ (Cyclone Yaas) বর্তমানে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে বৃষ্টি। তারই মাঝে অশোকনগরে নয়া দুর্যোগ। চুঁচুড়া-হালিশহরের পর এবার টর্নেডোর সাক্ষী অশোকনগরের ২২ নম্বর ওয়ার্ড এবং গুমার একাংশ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ এই টর্নেডো দেখা যায়। অশোকনগর থানা এলাকার গুমার খ্রিস্টান পাড়া ও কালিকাপুর এলাকায় তাণ্ডব চালায় এই টর্নেডো। ৩ থেকে ৪ মিনিট ছিল টর্নেডোর স্থায়িত্ব। তার ধাক্কায় ১৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। বাড়ির দেওয়াল ভেঙে আহত হয়েছেন ২ জন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

আরও পড়ুন : গঙ্গার জল বাড়বে ১৮ ফুট উচ্চতায়, ভাসবে কলকাতা! বিকাল ৪টে পর্যন্ত তিলোত্তমার জন্য বিপর্যয়ের সতর্কতা

এর আগে গত সোমবার চুঁচুড়া এবং হালিশহরেও টর্নেডো হয়।  বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাণহানিও হয় দু’জনের। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই টর্নেডোয় কাঁপল উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আসার আগেই মঙ্গলবার টর্নেডো দেখা গিয়েছিল হুগলির ব্যান্ডেল ও উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে। ইয়াস চলে যাওয়ার পরেই টর্নেডোর ধাক্কায় লন্ডভন্ড উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর ও গুমা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকালে তাঁরা প্রথমে একটি কালো ঝড় দেখতে পান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দু’টি গ্রামের বহু বাড়ি লন্ডভন্ড হয়ে যায়। কোনও প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও তাঁদের অনেক ক্ষতি হয়েছে বলেই জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বুধবারই ওড়িশার (Odisha) বালেশ্বরে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ বা ‘ইয়াস’। তার আগেই দিঘায় (Digha) ব্যাপক জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়। প্রায় ৩০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একের পর এক হোটেল। ভেঙে যায় বহু কাঁচাবাড়ি। গ্রামের পর গ্রাম জলের তোড়ে ভেসে যায়। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন অনেকেই। তবে প্রাণহানি হয়নি কারও। বৃষ্টি ছাড়া কলকাতায় যদিও ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ বা ‘ইয়াসে’র দাপট সেভাবে চোখে পড়েনি। বরং ভরা কোটালের ফলে  গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় জলমগ্ন হয় কলকাতার একাধিক এলাকা।

আরও পড়ুন : কিউবা পালানোর সময় গ্রেফতার হীরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest