Aiming to be number one in industry, CM announces huge investment in the state, employment will be in lakhs

শিল্পে এক নম্বর হওয়াই লক্ষ্য, রাজ্যে বিপুল বিনিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কর্মসংস্থান হবে লক্ষাধিক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সামাজিক প্রকল্পের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (West Bengal CM Mamata Banerjee) নজর এবার শিল্পে। কর্মসংস্থানে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। একাধারে একাধিক শিল্পতালুকে বিনিয়োগ তো অন্যদিকে শিল্পবান্ধব নয়া নীতির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার পানাগড় শিল্পতালুকে ৪০০ কোটির পলিফিল্মের কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এর পরই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, “বাংলায় বিনিয়োগ করুন। আমাদের সরকার শিল্পের পাশে আছে। এ রাজ্য শিল্পে এক নম্বর হবেই। এবার শিল্পই টার্গেট আমাদের।”

ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল বোর্ড গঠনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই বোর্ডের চেয়ারম্যান তিনি নিজেই হবেন। এই বোর্ড ধারাবাহিক ভাবে বৈঠকে বসবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি এদিন একগুচ্ছ বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য দেন তিনি। রাজ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে এদিন শিল্পবান্ধব নয়া দুই নীতির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।  এদিন আর কী কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

  • শিল্পকর্তাদের পরামর্শ মেনে ওয়েস্টবেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল বোর্ড তৈরি হয়েছে। বোর্ডের মাথায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছেন বিভিন্ন দপ্তরের সচিবরা। বোর্ডের সদস্যরা প্রতিমাসে বৈঠক করবেন। দেখা হবে শিল্প তৈরির জন্য ক’টা আবেদন জমা পড়ল। ক’টা আবেদন ছাড়পত্র পেল তাও খতিয়ে দেখবে এই বোর্ড।
  • ইথানল প্রোডাকশন প্রোমোশন পলিসি চালু করল রাজ্য। বায়ো ফুয়েলের মূল উপাদান ইথানল। খুদকুঁড়ো অর্থাৎ ভাঙা চাল থেকে তৈরি হয় এই ইথানল। তাই চাষিদের থেকে কিনে নেওয়া হবে সেই ভাঙা চাল। যাতে ভাঙা চাল আর কম দামে বিক্রি করতে না হয়। সেই খুদকুঁড়ো দিয়ে তৈরি হবে বায়ো ফুয়েল।  এই জ্বালানি তৈরি করতে গ্রামেগঞ্জে প্রচুর কারখানা গড়ে উঠবে। কাজ পাবেন অন্তত ৪৮ হাজার মানুষ। এই শিল্পে এক বছরে দেড় হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে বলে আশা মুখ্যমন্ত্রীর।
  • শিল্প নিয়ে দ্বিতীয় নীতির কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ বছরে ৪০০ মেগাওয়াটের ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হবে এ রাজ্যে। এই ডেটা সেন্টার শুধু বাংলা নয়, প্রতিবেশী দেশ নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশকে সাহায্য করবে। বিনিয়োগ হবে ২০ হাজার কোটি বিনিয়োগ। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ২৪ হাজার যুবক-যুবতী চাকরি পাবেন।
  • দেউচা পাচামির কয়লা খনি তৈরির দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হচ্ছে। সেই এলাকার অধিবাসীদের পুনর্বাসন দেবে রাজ্য। বিনিয়োগ হবে ১৫ হাজার কোটি। কাজ পাবেন বহু মানুষ।
  • দ্রুত তাজপুর বন্দর চালু করা হবে। ফলে এই বন্দর থেকে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে।
  • রঘুনাথপুরে হচ্ছে শিল্পতালুক। নাম জঙ্গলমহল সুন্দরী। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ হবে ৭২ হাজার কোটি। মিলবে লক্ষ-লক্ষ চাকরি।
  • পানাগড় শিল্পতালুকে ৮ হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে। ইতিমধ্যে ৪০০ কোটি পলিফিল্মের কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। চাকরি পাবেন ১৫ হাজার জন। জামুড়িয়া-হাওড়ায় বিরাট বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
  • ২ বছরের মধ্যে অন্ডালকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বানানো হবে। বাজেটে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গোটা রাজ্যে প্রায় ৩০টি হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে।
  • অমৃতসর-ডানকুনি ফ্রেট করিডোর তৈরি হচ্ছে। বিনিয়োগ হবে ৭২ হাজার কোটি টাকা।
  • অশোকনগরে তেলপ্রকল্পের কাজ চলছে। সেখানেও কর্মসংস্থান হবে।
  • বানতলায় লেদার কমপ্লেক্স তৈরি হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ থেকে বেশিরভাগ চর্মশিল্প এরাজ্যে চলে এসেছে। ৫ লক্ষের বেশি কর্মসংস্থান হবে।
  • গত কয়েক বছরে রাজ্যের শিল্পে ১ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ হয়েছে।

 

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest