Babul Supriyo will resign from MP post on Tuesday

অবশেষে সময় পেলেন, মঙ্গলবার সাংসদ পদে ইস্তফা দিতে চলেছেন Babul Supriyo

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মঙ্গলবার, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন বাবুল সুপ্রিয়। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, বাবুলকে সকাল ১১টায় সময় দিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। এর আগে একাধিক বার চিঠি লিখে স্পিকারের সময় চেয়েছিলেন বাবুল। কিন্তু তখন তাঁকে স্পিকার সময় দেননি। রবিবার লোকসভা সচিবালয় সূ্ত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকালে বাবুলকে সময় দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপদ হারিয়ে তিনি ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, আর রাজনীতি করবেন না। এমনকী এও বলেছিলেন, তাঁর নির্দিষ্টভাবে একটাই দল, একটা বিশ্বাসেই তাই তিনি বিশ্বাসী। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র (Babul Supriyo) এই ঘোষণা অবশ্য বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। BJP ছেড়ে সরাসরি তিনি দলবদল করেছেন তৃণমূলে। কিন্তু এর পর? এখনও ঘোষণা না হলেও তাঁকে বড় দায়িত্বই যে তৃণমূল দিতে চলেছে, তা স্পষ্ট, এমনকী বাবুল নিজেও বারবার তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। একইসঙ্গে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, BJP ছেড়ে তিনি ওই দলের সাংসদ পদ আঁকড়ে থাকবেন না। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সময় চেয়েছিলেন সাক্ষাতের। তা পেলেই তিনি ইস্তফা দেবেন সাংসদ পদ থেকে। অবশেষে সেই সময় এল। সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, বাবুলকে সময় দিয়েছেন স্পিকার। ওই দিনই দিল্লি গিয়ে আসানসোলের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বাবুল।

বাবুল আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি যাদের টিকিটে নির্বাচিত, সেই দল ছেড়ে অন্য দলে গেলে পুরনো দলের সাংসদ পদ আঁকড়ে ধরে রাখা ‘অনৈতিক’ কাজ হবে। যদিও বাংলায় তেমন কিছু দৃষ্টান্ত রয়েছে। এখন দেখার যে, সাংসদ পদ থেকে বাবুল ইস্তফা দিলে কবে আসানসোলে উপনির্বাচন ঘোষণা করা হয়। এখনও প্রায় ৩ বছর লোকসভা ভোট হতে বাকি। এটাও দেখার যে, সেখানে বিজেপি নতুন কাকে প্রার্থী হিসেবে তুলে আনে। তৃণমূলই বা কাকে সেই পদে দাঁড় করায়। একই সঙ্গে নজরে থাকবে কংগ্রেস ও বাম দলগুলি ওই উপনির্বাচনে প্রার্থী দেয় কি না।

২০১৪ সালে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে প্রথম বার ভোটে লড়ার সময় প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী আসানসোলের জনসভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘মুঝে বাবুল চাহিয়ে।’ আসানসোলবাসী বাবুলকে দিল্লি পাঠাতে দ্বিধা করেননি। প্রথম বার ভোটে জিতে মোদীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছিলেন বাবুল। তার পর থেকে একটানা মন্ত্রী। ২০১৯ লোকসভায় ব্যবধান বাড়িয়ে আবার জয়ী হন। এ বারও ঠাঁই হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। কিন্তু সম্প্রতি মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে বাদ পড়েন বাবুল। তার পর রাতারাতি রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা এবং কিছু দিনের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান।

মাঝে এ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে স্পিকারকে পাঠানো চিঠির প্রতিলিপি ট্যুইটারে তুলে দিয়ে বাবুল লিখেছিলেন, ‘মাননীয় স্পিকারের উচ্চ কার্যালয়ে আমি সাক্ষাতের সময় চেয়ে আমার চিঠি পাঠাই। শ্রদ্বেয় স্যারের কার্যালয় থেকে সেই চিঠির একটি প্রাপ্তিস্বীকারও করা হয়েছে। আবারও একই অনুরোধ জানাচ্ছি। সাংসদ সৌগত রায়ও এই মর্মে একটি চিঠি দিয়েছেন।’ অর্থাৎ, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে পাঠানো চিঠিটি ট্যুইটারে তুলে দিয়ে বাবুল স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, স্পিকারের তরফে সময় মেলেনি বলেই এখনও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেননি তিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest