Body of young Trinamool leader shot dead in Burdwan

পর পর গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূলের যুব নেতার দেহ, ভরদুপুরে বর্ধমানে শুটআউট

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীর হামলায় খুন হলেন বুদবুদের দেবসালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সীর ছেলে তথা যুব তৃণমূল নেতা চঞ্চল বক্সী। এই খুনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এবং বিজেপি-র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপিআশ্রিত দুষ্কৃতীরাই চঞ্চলকে খুন করেছে। তবে শাসকদলের অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপি-র পাল্টা দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হয়েছেন চঞ্চল। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের কাছে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে আততারীরা এখনও অধরা।

জানা গিয়েছে, চঞ্চল বক্সির বাবা শ্যামল বক্সি দেবশালা পঞ্চায়েত তৃণমূলের প্রধান। আউশগ্রামের গেরাই গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতির বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে নিমন্ত্রিত ছিলেন এলাকার তৃণমূলের নেতারা। বাবা শ্যামল বক্সির সঙ্গেই ওই তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে গিয়েছিলেন চঞ্চল বক্সি। বাবাকে বাইকে নিয়ে সেখান থেকে ফিরছিলেন চঞ্চল। গেরাই গ্রাম ছেড়ে বেরতেই বাইকে করে চার যুবক এসে চঞ্চলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

রক্তাক্ত অবস্থায় বাইক নিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন চঞ্চল। ওই যুবকের পিছনের গাড়িতেই ছিলেন অন্যান্য নেতারা। তাঁরাও ফিরছিলেন অনুষ্ঠান থেকে। তড়িঘড়ি যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় জামতাড়া হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ওই যুবক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

এবিষয়ে মৃতের বাবা শ্যামল বক্সি বলেন, “দুটো বাইকে মোট চারজন এসেছিল। সঙ্গে প্রচুর অস্ত্র ছিল। ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। তবে তাড়াহুড়োয় একটা অস্ত্র ফেলে দিয়েছে।” ভালকি অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতি বলেন, “আমার গাড়ি পিছনে ছিল। চোখের সামনে ঘটনাটি দেখেছি। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হায়দর আলি বলেন, “চঞ্চল আমাদের একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন। যেহেতু দেবশালা এলাকায় আমাদের ভাল ফল হয়েছিল, তাই বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওঁকে খুন করেছে।” খুনের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিজেপি বর্ধমান (সদর) জেলা কমিটির সম্পাদক তথা আউশগ্রাম এলাকার পর্যবেক্ষক শ্যামল রায় বলেন, “ওই অভিযোগ ভিত্তিহীন। তৃণমূল কংগ্রেস যে ‘খেলা হবে’ স্লোগানটা তুলেছে, এটা তারই ফল। পক্ষে বিপক্ষে দুই দিকেই তৃণমূল খেলছে। এটা ওদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। পঞ্চায়েতের টাকার ভাগ নিয়ে অশান্তির কারণেই এই খুন।”

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest