Mamata Banerjee conducts a launch on ichamati river during her second day of Sunderban visit

Mamata Banerjee: ইছামতীর বুকে লঞ্চ চালালেন মমতা, লাঞ্চে রেশনের চাল আর ওল-ট্যাংরার ঝোল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

জেলা সফরে দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নতুন কিছু নয়। চায়ের দোকান থেকে মোমোর স্টল অনায়াসে ঘুরে বেড়ান তিনি। কখনও গৃহস্থের বাড়িত ঢুকে তাঁদের হাঁড়ির খবর নিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। আবার কখনও স্কুলে গিয়ে খুদেদের সঙ্গে মিশে ফিরে গিয়েছেন নিজের মেয়েবেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মিনি সুন্দরবন অঞ্চলে জনসংযোগের এক অনন্য নজির গড়লেন তিনি।

তিনদিনের সফরে মিনি সুন্দরবনে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সফরের প্রথম দিনেই সরকারি আধিকারিকদের কাজে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখে গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকে। বুধবার অবশ্য খোশমেজাজেই দেখা গিয়েছে তাঁকে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইছামতীতে লঞ্চে চেপে সুন্দরবনের উপকূল এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেই মতো মুখ্যমন্ত্রী এবং সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে লঞ্চ ছাড়ে। চালকের কেবিনে বসে থাকা মুখ্যমন্ত্রী লঞ্চ চালানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। তার পরই দেখা যায়, পেশাদার চালকের মতোই চাকা ঘুরিয়ে লঞ্চ চালাচ্ছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে লঞ্চ চালাতে দেখে চালকের কেবিনে চলে আসেন সরকারি আধিকারিকরাও।

আরও পড়ুন: C V Ananda Bose: নতুন রাজ্যপাল পেল বাংলা, প্রাক্তন আইএএসকে নিয়োগ করলেন রাষ্ট্রপতি

ইছামতীতে লঞ্চ চালানোর পর একটি গ্রামে গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। স্বাস্থ্য নিয়ে মারাত্মক সচেতন মুখ্যমন্ত্রী। তাই গত ১২-১৩ বছর দুপুরে ভাত খাননি তিনি। কিন্তু বুধবার সেই সমস্ত নিয়ম ভাঙলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। সাধারণ মানুষের মাঝে বসেই দুপুরে ভাত খেলেন তিনি। ভাত, ওলকচু দিয়ে ট্যাংরা মাছের ঝোল। তা দিয়েই মধ্যাহ্নভোজ সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সঙ্গে মেনুতে ছিলে আলু দিয়ে পোনামাছের মাথার চচ্চরি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মাছের মাথা সরিয়ে রেখে আলু দিয়ে ভাত মেখে খেলেন। খাওয়ার সময় তাঁর মুখে তৃপ্তি খেলা করছিল। দ্বিপ্রাহরিক ভোজন সেরে উঠে বললেন, “ঝাল খাই না। তবে দারুণ সুস্বাদু খাবার খেলাম।”

খাওয়া-দাওয়া শেষে মুখ্যমন্ত্রীর অনুযোগ, ভাতটা শক্ত কেন? একইসঙ্গে জানতে চান, রেশন থেকে কি এমনই মোটা চাল দেয়? গৃহস্থরা জানান, রেশন থেকে এই চালই দেয়। এরপরই চালের মান উন্নয়নের পরামর্শ দেন প্রশাসনিক কর্তাদের। সেখান থেকে চলে যান টাকি কলেজে। সেখানে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, ঐতিহ্যশীল টাকি কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য এক কোটি টাকা দেবেন তিনি।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee : Sundarban নয়া জেলা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! মিলবে কী কী সুবিধা ?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest