কলাইকুণ্ডার বৈঠকে শুভেন্দুর নাম, বৈঠকে যোগ না দিয়ে দিঘা চলে যেতে পারেন ‘অসন্তুষ্ট’ মমতা

তৃণমূল সূত্রের খবর, ধনখড় এবং দেবশ্রীর নিয়ে কোনও আপত্তি জানাননি মমতা। কিন্তু শুভেন্দু কোন যুক্তিতে থাকবেন, তা নিয়েই বেঁকে বসেন তিনি।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। কলাইকুণ্ডায় (Kalaikunda) মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন, এমনটাই কথা রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজেও বৈঠকে থাকার কথা জানিয়েছেন গত কালই। কিন্তু আজ, বৈঠকের দিন সকালে জানা গেল কলাইকুণ্ডায় থাকতে পারেন শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। আর তা শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী দলনেতা ওই বৈঠকে থাকলে তিনি কলাইকুণ্ডায় নামবেন না বলে সূত্রের খবর।

সকালেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেও প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে কলাইকুণ্ডায় যাওয়ার কথা মমতার। শোনা যাচ্ছে কলাইকুণ্ডার বৈঠকে যাঁরা থাকতে পারেন তাঁদের মধ্যে রয়েছে বিরোধী দলনেতা তথা নির্বাচনে মমতার প্রতিপক্ষ শুভেন্দু। সেই বিষয়টাকে মোটেই ভালো চোখে দেখছে না মমতা তথা তৃণমূল। সূত্রের খবর, মমতা সাফ জানিয়েছেন যে তালিকা থেকে শুভেন্দুর নাম বাদ না গেলে তিনি কলাইকুণ্ডায় যাবেন না, হেলিকপ্টার ঘুরিয়ে সোজা চলে যাবেন দিঘায়। যদিও নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের সূচিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

ইয়াসের ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার জন্য শুক্রবার দুপুরে কলাইকুন্ডায় বৈঠক হওয়ার কথা আছে মোদী এবং মমতার। প্রাথমিকভাবে বৈঠকে শুধু মোদী এবং মমতার থাকার কথা ছিল। পরে রাতের দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে নবান্নকে জানানো হয়, বৈঠকে থাকবেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু।

আরও পড়ুন : লম্বা হচ্ছে লাইন, এবার তৃণমূলে ফিরতে চাইলেন বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রাক্তন মন্ত্রীও

তৃণমূল সূত্রের খবর, ধনখড় এবং দেবশ্রীর নিয়ে কোনও আপত্তি জানাননি মমতা। কিন্তু শুভেন্দু কোন যুক্তিতে থাকবেন, তা নিয়েই বেঁকে বসেন তিনি। পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক বৈঠকে পরিণত করার জন্যই শুভেন্দুকে ডাকা হয়েছে বলে মনে করছেন মমতা। সে বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে জানানো হয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, শুভেন্দুকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিজেপি। কিন্তু তা তো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তাহলে কোন যুক্তিতে শুভেন্দুকে ডাকা হল? পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে বিধায়ক হিসেবে যদি শুভেন্দুকে ডাকা হয়, তাহলে জেলার বাকি বিধায়কদের কেন বৈঠকে ডাকা হবে না কেন? সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী মোদীর বৈঠকে নাও যেতে পারেন। পরিবর্তে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে যেতে পারেন বলে একটি অংশের তরফে দাবি করা হয়েছে।

যদিও তৃণমূলের সেই যুক্তির মধ্যেই একটি চিঠি (সত্যতা যাচাই করেনি ‘দি নিউজ নেস্ট’) ছড়িয়ে পড়েছে। সেই চিঠি অনুযায়ী, গত ১৩ মে থেকে শুভেন্দুকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যা ১৯ মে বিধানসভার সচিবালয়ের তরফে পাঠানো হয়েছে। যদিও প্রশ্ন উঠছে, আচমকা সেই চিঠি এতদিন পর প্রকাশ্যে আনা হল কেন? সে বিষয়ে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। উত্তর মেলেনি শুভেন্দু। তবে একটি অংশের দাবি, তিনি নাকি ইতিমধ্যে কলাইকুন্ডার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন : রাজ্যে এল ৫০,০০০ ডোজ কোভ্যাকসিন, আজই আসছে ২ লক্ষ কোভিশিল্ডও

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest