MP Dev takes stock of flood situation in Ghatal, handed over the check to the family of the child who drowned

বানভাসি ঘাটালে দেব, জলে ডুবে মৃত শিশুর পরিবারের হাতে তুলে দিলেন চেক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

যেদিকে চোখ যায় শুধু ঘোলা জল। বাড়ির একতলা জলে ডুবে রয়েছে। জল কবে নামবে তা বুঝতে পারছেন না বাসিন্দারা। বাধ্য হয়ে বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়েছেন কিছু বাসিন্দা। বেশির ভাগ মানুষ বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন ত্রাণ শিবিরে। বাসিন্দাদের অভিযোগ সরকারি সহায়তা বিশেষ মিলছে না। পানীয় জলও মিলছে না যথাযথ। ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। এদিকে ভোটের আগে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ন নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা মেটেনি আজও। এদিকে সোমবার দুপুরে সেই প্লাবিত ঘাটালে যান সাংসদ দেব।

সোমবার সকালে ঘাটালের তিনটি জায়গা ঘুরে দেখেন সাংসদ দেব (Dev)। প্রথমে সবংয়ের চাউলকুড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের এরাল এলাকায় যান তিনি। পিংলার পর ডেবরার সত্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের টেবাগেড়িয়ায় ঘুরে দেখেন দেব। প্লাবিত এলাকার বাসিন্দাদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন তিনি। করেন আর্থিক সাহায্যও। রাজনীতির কথা ভুলে বর্তমান পরিস্থিতিতে সকলের হাতে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াই লক্ষ্য বলেই জানান তিনি। সাংসদ আরও জানান, মাঝেমধ্যে অভিযোগ আসছে দু-একজন ত্রাণ পাচ্ছেন না। যাঁরা ত্রাণ পাচ্ছেন না তাঁদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করার কথাই বলেন তিনি। কেউ ত্রাণ না পেলে তড়িঘড়ি এলাকার দলীয় কর্মীদের জানানোর কথাও বলেন দেব। বৃষ্টির জম কমলে প্লাবনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি নির্মাণের বন্দোবস্ত করার আশ্বাস তারকা সাংসদের।

দিনকয়েক আগে ঘাটালের ৬ নম্বর ওয়ার্ড গম্ভীরনগরে জলে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। সেই মৃত শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানালেন দেব। মৃত শিশুর পরিবারের হাতে ২ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। সঙ্গে কিছু ত্রাণ সামগ্রীও দেন তিনি।

এদিকে, নতুন করে বৃষ্টি আর হয়নি ঘাটালে। তবে কেলেঘাই, কপালেশ্বরী নদীর জল নামছে ধীর গতিতে। পিংলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মালিগ্রাম, বাখনাবাঁধ, জলচক এলাকা। কাঁসাই নদীর জলস্তরও ধীর গতিতে কমছে। জলের তলায় গ্রামের পর গ্রাম। চাষবাসও বন্ধ। ঘর ভেঙে আছে অনেকের। বাধ্য হয়ে বাঁধের উপর ত্রিপল খাটিয়ে বাস করছেন কেউ কেউ। নীচু এলাকার বাসিন্দাদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest