School Reopening: Legal complications arose in the case of opening the school, the students have been in the class since November 16

মামলা খারিজ; ১৬ নভেম্বরই খুলছে রাজ্যের সমস্ত স্কুল, জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

স্কুল-মামলা খারিজ হয়ে গেল কলকাতা হাইকোর্টে। আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়লেন মামলাকারী। স্কুল খোলার বিষয়ে আপাতত হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হাইকোর্ট। অভিযোগ থাকলে অভিভাবকরাই আদালতে আসবেন, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির। তবে স্কুল খুললেও করোনাবিধি মেনেই হবে ক্লাস। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। এ ক্ষেত্রে স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্যের জারি করা ২৯ অক্টোবরের নির্দেশই বহাল রাখল আদালত।

বৃহস্পতিবার আদালতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, দেশের প্রায় সব রাজ্যে স্কুল খুলে গিয়েছে। অনেক আগেই স্কুল খুলেছে অন্ধ্রপ্রদেশ, চণ্ডীগড়, বিহার, কেরালা, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রে। এ রাজ্যেও স্কুল খোলার অনুমতি দেওয়া হোক। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে স্কুল খোলার পর কী কী পদক্ষেপ করা হবে এবং কী ভাবে স্কুল চালানো হবে তা সবিস্তারে জানিয়েছে রাজ্য।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, যাঁরা স্কুল করতে ইচ্ছুক, তাঁরা স্কুলে আসতে পারেন। কিন্তু যাঁদের অসুবিধা রয়েছে, তাঁরা স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবেন। তাঁর বক্তব্য, স্কুল কর্তৃপক্ষ সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবে। এজি বলছে, স্কুলে অতিরিক্ত সময় কোভিড প্রোটোকলের জন্য ধার্য করা হয়েছে। আদালতে এজি জানান, আন্তর্জাতিক অর্গানাইজেশন বলেছে মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে অনলাইন পড়াশোনায়। বাংলা দেশের সবচেয়ে শেষে স্কুলে খুলছে।

রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ন’টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত নবম ও একাদশ শ্রেণি, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিকে ১০.৩০ থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত করোনা বিধি মেনে প্রতিদিন স্কুল করতে হবে। অথচ মামলাকারীর বক্তব্য, এমন অনেক পড়ুয়াই আছে, যাদের ভ্যাকসিন ডোজ় সম্পূর্ণ হয়নি। এতে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়বে। অতিরিক্ত সময় স্কুল থাকার ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দেবে। মামলাকারী সুদীপ ঘোষ চৌধুরীর আদালতে সওয়াল করেন, বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি কমিটি করা হোক। সেই কমিটি সময় কমিয়ে কীভাবে স্কুল চালু রাখা যায়, তার সুপারিশ করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য ছিল, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে একাধিক জায়গায় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

এজি এদিন আদালতে জানান,  অতিরিক্ত সময় নেওয়া হয়েছে কারণ ১০ মিনিট প্রতিদিন করোনা সচেতনতার ক্লাস করানো হবে। সব কোভিড গাইডলাইন মানা হচ্ছে। ছাত্ররা স্কুলে যেতে চাইছে। সিবিএসসি (CBSC) ইতিমধ্যেই জানিয়েছে অফলাইন পরীক্ষা হবে।  শুধু কি রাজ্যের স্কুলের ক্ষেত্রে সমস্যা? দুবছর এর পর আর কতদিন বসে থাকবো? গ্রাম বাংলায় অধিকাংশ শিক্ষক স্কুলের কাছেই থাকেন। ভ্যাকসিনেশনের ক্ষেত্রেও এজি স্পষ্ট করেন, ৪ শতাংশের কম পড়ুয়ার ভ্যাকসিনেশন হয়নি।

তবে তা খারিজ করে দেয় আদালত। মামলাকারীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয় না আদালত। তাঁর দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ হয়ে যায়। অর্থাত্, ১৬ নভেম্বর থেকে খুলবে স্কুলের দরজা। আপাতত নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা স্কুলে যাবে। এরপর ধাপে ধাপে বাকিদেরও ক্লাস চালু হবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই রাজ্যের শিক্ষা দফতর জেলাগুলিতে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কী ভাবে স্কুল খুলতে হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest