'WhatsApp Rebellion' again in Banga BJP, this time Union Minister himself left all party groups

আবারও ‘হোয়াটসঅ্যাপ বিদ্রোহ’ বঙ্গ বিজেপিতে, এবার দলের সব গ্রুপ ছাড়লেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ফের বঙ্গ বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। এবার গেরুয়া শিবিরর সমস্ত হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন কেন্দ্রীয় জাহাজ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী তথা মতুয়া সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? জবাবে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি শান্তনু জানান, “বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গুলি থেকে আমি বেরিয়ে গিয়েছি। কেন বেরিয়ে গেলাম তার কারণ আগামিদিনে এর বিস্তারিত জবাব দেব।”

বিজেপির নতুন রাজ্য পদাধিকারীমণ্ডলী এবং জেলা সভাপতিদের মধ্যে মতুয়া প্রতিনিধি না থাকাই শান্তনুর ক্ষোভের কারণ। বিজেপি সূত্রের খবর, শান্তনু দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রাজ্য পদাধিকারীমণ্ডলীতে মতুয়া প্রতিনিধি আনার দাবি জানান। সেই সময়সীমা পেরোনোর পরেও তাঁর দাবি মানা হয়নি। তাই এ দিন দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলি ছেড়েছেন তিনি। শান্তনুর কথায়, “বঙ্গ বিজেপির বর্তমান নেতৃত্বের শান্তনু ঠাকুর বা মতুয়া সমাজের ভোট নিষ্প্রয়োজন। তাই আমারও ওই সব গ্রুপে থাকা নিষ্প্রয়োজন। সময়মতো সব জবাব দেব।”

কয়েক দিন আগে এই ক্ষোভেই বিজেপির পাঁচ বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, অশোক কীর্তনীয়া, অসীম সরকার, অম্বিকা রায় এবং মুকুটমণি অধিকারীও দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গেও কথা বলেছিলেন শান্তনু ঠাকুর৷ তার পরেও সাংসদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ায় শান্তনুর ক্ষোভ প্রশমন হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে৷

পুরভোটের আগে শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে দলের দূরত্ব যে বাড়ছে তা এ দিনের আরও একটি ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ যা মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপি নেতৃত্বের চিন্তা বাড়াতে বাধ্য৷ এ দিনই বনগাঁ সাংগঠনিক জেলায় পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক ডেকেছিল বিজেপি৷ গোপালনগরে সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং৷ কিন্তু এই বৈঠকে ছিলেন না এলাকার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর অনুগামী হিসেবে পরিচিত চার বিধায়ক৷

এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পদপ্রাপ্তি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। তবে দলের সমস্যা দলের অন্দরেই মেটানো হবে। আমাদের দল একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। কেবলমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখে দল কাজ করে না।’ উল্লেখ্য, এর আগে কতকটা শান্তনু ঠাকুরের দাবি মেনেই বনগাঁকে পৃথক সাংগঠনিক জেলা করেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি থাকাকালীনই তা করা হয়েছিল।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest