করোনা রুখতে বাড়িতে কত ডিগ্রিতে চালাতে হবে এসি, জানিয়ে দিল কেন্দ্র

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নয়াদিল্লি: ভারতে দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে কোভিড ১৯ সংক্রমণ রুখতে বাড়িতে একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছে কেন্দ্র। জানানো হয়েছে, ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এই সংক্রমণ সবথেকে কম হয়। তাই বাড়িতে এসি চালানোর ক্ষেত্রে এই তাপমাত্রা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।

কোন কোন মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে জল্পনার শেষ নেই ৷ সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের এক সংস্থা জানাল, শুধু হাঁচি, কাশি, ছোঁয়া নয়, এয়ারকন্ডিশন মেশিনের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে এই মারণ রোগ। মূলত এর ওপর একটি পরীক্ষা করেছিল ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিসিজ। তিনজন করোনা আক্রান্তকে রাখা হয়েছিল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এমন একটি ঘরের এয়ার ডাক্টের মধ্যে মিলেছে রোগের জীবাণু। এই ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ে। তা বলে এই গরমে এসি চালালে বিপদ বাড়বে? এই নিয়ে জল্পনা শুরু হতেই করোনা রুখতে ঠিক কত তাপমাত্রায় এসি চালাতে হবে, তা জানিয়ে দিল কেন্দ্র।

আরও পড়ুন:  ডেলিভারি বয় মুসলিম! তাই মুদির সামগ্রি ফেরত, গ্রেফতার মহিলা

শুক্রবার কেন্দ্রের তরফে একটি অ্যাডভাইজরি দিয়ে জানানো হয়েছে এসির আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ হওয়া উচিত। এই গাইডলাইন ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ হিটিং রেফ্রিজারেটিং অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনার ইঞ্জিনিয়ার্সদের সঙ্গে মিলে তৈরি করা হয়েছে। সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট এই গাইডলাইন ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেছে।এই অ্যাডভাইজরি তৈরি করার ক্ষেত্রে একটা টাস্ক ফোর্স কাজ করেছে। এই টাস্ক ফোর্সের আওতায় বিভিন্ন ধরনের বিশেষজ্ঞদের রাখা হয়েছে যাঁরা কোভিড ১৯ সংক্রমণ রুখতে কী ধরনের তাপমাত্রা ও আবহাওয়া আদর্শ, সেটা নিয়ে গবেষণা করেছেন। তারপর তাঁদের মতামতের উপর ভিত্তি করেই এই অ্যাডভাইজরি বানিয়েছে কেন্দ্র।

অ্যাডভাইজরিতে লেখা রয়েছে, “বাড়িতে এসি চালালেও জানলা অল্প করে খুলে রাখুন। তাহলে ভিতরে ঠান্ডা হাওয়ার সার্কুলেশনের সঙ্গে বাইরের হাওয়াও কিছুটা ঢুকবে। ভিতরের হাওয়াও কিছুটা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ হবে। এই বায়ু চলাচল খুবই দরকার। আপেক্ষিক আর্দ্রতা যেন কখনও ৪০ শতাংশের নীচে না নামে।” যখন ঘরে এসি চলছে না তখনও যেন ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা থাকে, এমনটাই জানানো হয়েছে এই গাইডলাইনে। ফ্যান চালানোর সময়ও জানলা হালকা করে খুলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ তাহলেই বায়ু চলাচল ভাল করে হবে। ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ কম পাবে। বদ্ধ ঘরে এই ভাইরাস ছড়ানো অনেক সহজ বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

লকডাউনের ফলে অফিস ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অনেক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে সেখানে কাজ শুরু করার আগে এয়ার সার্কুলেশন ভাল করে করা উচিত বলে জানানো হয়েছে। এই অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে, “বদ্ধ জায়গায় ব্যাক্টেরিয়া, ফাঙ্গাস অনেক দ্রুত কাজ করে। তাই যেসব অফিস ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে, সেখানে আগে দরজা-জানলা খুলে ও ফ্যান-এসি চালিয়ে এয়ার সার্কুলেশন ঠিক করে নিতে হবে। তবেই বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে ভিতরের তাপমাত্রার একটা সামঞ্জস্য তৈরি হবে। এই আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার সঙ্গে সংক্রমণের একটা যোগাযোগ রয়েছে। এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কমবে।”

আরও পড়ুন:  করোনা জয়ে পথ দেখাচ্ছে ‘প্লাজমা থেরাপি’, ট্রায়াল সফল বলে জানালেন কেজরি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest