A bottle of water for 3000 rupees! Terrible situation at Kabul airport

৩০০০ টাকায় এক বোতল জল! ভয়াবহ অবস্থা কাবুল বিমানবন্দরে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কাবুল বিমানবন্দরে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে আইসিস। নিহত পেরিয়েছে শতাধিক, আহত বহু। রক্তজলে ভাসছে মানুষের দেহ, হাহাকারে বিদীর্ণ চারপাশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কেবলই আরও খারাপ হচ্ছে। খাবার নেই, জল নেই, নেই কোনও রকম নাগরিক পরিষেবা। দুর্দশার চরমে পৌঁছেছেন সকলে।

এক আফগান মহিলা জানিয়েছেন, বিমানবন্দর ভিড়ে থিকথিক করছে। প্রাণের ভয়ে, খালি পেটে সিঁটিয়ে আছেন সকলে। মিলছে না জলও। বিমানবন্দরে এক বোতল জলের দাম বেড়ে হয়েছে চল্লিশ ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার টাকা! এক প্লেট ভাত মিলছে ১০০ ডলার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে সাত হাজার টাকায়! তার ওপর আফগান মুদ্রায় নয়, দাম দিতে হচ্ছে মার্কিন ডলারেই। সব মিলিয়ে কঠিন অবস্থায় হাজার হাজার মানুষ।

সোশ্যাল মিডিয়া কিছু ভিডিওয় দেখা গেছে, সেনা জওয়ানরা এগিয়ে এসে জল খাওয়াচ্ছেন শিশুদের। নিজেদের কাছে থাকা পানীয় জলই দিচ্ছেন তাঁরা। তবে তাতে কি আর হাজার মানুষের সমস্যা মেটে!বৃহস্পতিবার রাতে বিস্ফোরণের পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। নিরাপত্তা আটোসাঁটো হয়েছে, তবু বিমানবন্দরে ভিড় কমছে না। সতর্কতা জারি হয়েছে ফের হতে পারে বিস্ফোরণ, তবু পিছু হটছে না মানুষ। প্রাণের ভয়ে দেশ ছাড়ার তাড়নাই সবচেয়ে প্রকট এই মুহূর্তে।

আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে খুনের হুমকি অধ্যাপকের, অভিযোগ লালবাজারে

জানা গেছে, আমেরিকা যাওয়ার পাসপোর্ট-ভিসা রয়েছেন এমন প্রায় দেড় হাজার জন বিমানবন্দরে বাইরে আটকে রয়েছেন। আফগান নাগরিকদের উদ্ধারের পাশাপাশি তাঁদেরও দেশে ফেরানোর কথা।বাইরেও গোটা আফগানিস্তানেই ভয়ানক দশা। খাবারের সংকট শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, প্রতি দুজন আফগানবাসীর মধ্যে একজন অভুক্ত থাকছেন। ২০ লক্ষ শিশু ভয়াবহ অপুষ্টির শিকার। তাদের কাছে দ্রুত খাবার পৌঁছে দেওয়া দরকার।

আরও পড়ুন : University of Calcutta: ফি নিয়ে বড় ঘোষণা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest