Nobel Prize in PEACE 2021: Two Awarded For Contributions in Safeguarding Freedom Of Expression

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য নির্ভীক লড়াই, নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন দুই সাংবাদিক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মারিয়া রেসা, দিমিত্রি মুরাতভ। শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সভাপতি বেরিট রিস-এন্ডারসেন বলেন, মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার দাবিতে বুক চিতিয়ে আজীবন লড়াই করার স্বীকৃতি হিসাবেই শুক্রবার এই দুই শান্তি পুরস্কারজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি।

নোবেল কমিটি বলেছে, ‘‘এই দু’জনের অবাধ, নিরপেক্ষ ও তথ্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সব সময়েই ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, মিথ্যা ও যুদ্ধবাজদের মুখোশ খুলে দিতে তৎপর থেকেছে। কোনও কুণ্ঠাবোধ না করে অসমসাহসেই তাঁরা কাজ করে গিয়েছেন। করে চলেছেন। মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা ছাড়া বিশ্বভ্রাতৃত্ব অসম্ভব। নিরস্ত্রীকরণ ও উন্নততর পৃথিবী গড়ে তোলাও সম্ভব নয়। তাই এই দু’জনকে সম্মান জানানোর মাধ্যমে নোবেল কমিটি আলফ্রেড নোবেলের শেষ ইচ্ছাপত্রকেই সম্মান জানাল।’’

দেশের বিভিন্ন সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা, স্বৈরতন্ত্র, ক্ষমতার অপব্যবহার, মিথ্যা, দুর্নীতির মুখোশ খুলে দেওয়া ও মানুষকে বশে রাখতে হিংসা, সন্ত্রাসের ব্যবহারের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে অকুণ্ঠচিত্তে প্রতিবাদে গর্জে ওঠার জন্য ফিলিপিন্সে গত এক দশক ধরেই কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন সাংবাদিক মারিয়া রেসা। ২০১২ সালে তিনি আর এক জনকে সঙ্গে নিয়ে গোড়াপত্তন করেন ‘র‌্যাপলার’ নামে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম সংস্থার। র‌্যাপলার-এর সিইও সাংবাদিক রেসা এখনও সেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন অত্যাচারী সরকারের দাঁত-নখকে উপেক্ষা করে। খুনি ড্রাগ মাফিয়াদের অস্ত্রের মুখে বিন্দুমাত্র ভয় না পেয়ে। রেসার সেই লড়াই তাঁর নিজের দেশেরই মানুষের একাংশের বিরুদ্ধে হয়ে উঠলেও সঠিক জায়গায় কুঠারাঘাত করতে পেরেছেন বলে তাঁকে জনপ্রিয়ও করে তুলেছে উত্তরোত্তর। সমাজমাধ্যম কী ভাবে ভুয়ো খবর ছড়াতে সাহায্য করছে, বিরোধীদের হেয় করার হাতিয়ার হয়ে উঠছে, সেই মুখোশ উন্মোচনেও দ্বিধা করেননি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের কর্ত্রী সাংবাদিক রেসা।

অন্য দিকে একই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন রাশিয়ার বিশিষ্ট সাংবাদিক দ্‌মিত্রি মুরাতভ। ২৮ বছর আগে ১৯৯৩ সালে কয়েক জনকে সঙ্গে নিয়ে গোড়াপত্তন করেন রাশিয়ায় পুরোদস্তুর নিরপেক্ষ বলে পরিচিত একটি সংবাদপত্রের। যার নাম- ‘নোভাজা গাজেতা’। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি ওই সংবাদপত্রের প্রধান সম্পাদক। গোড়া থেকেই মুরাতভ নিজে তো বটেই, তাঁর সংবাদপত্রও সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার, মিথ্যাচার, স্বৈরতন্ত্র, দুর্নীতি, পুলিশি বর্বরতা, অবৈধ গ্রেফতারি, ভোটে জালিয়াতি ও দেশের ভিতর ও বাইরে রুশ সামরিক বাহিনীর যাবতীয় দুর্নীতি ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব থেকেছে। নোবেল কমিটির মতে, আজ এই সংবাপত্রটি সেই দেশের সবচেয়ে স্বাধীন সংবাদপত্র। কমিটি বলেছে যে মুরাতো কয়েক দশক ধরে রাশিয়ায় ‘ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে’ বাকস্বাধীনতা রক্ষা করে চলেছেন।

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest