Pak Model apologized after shooting Instagram reel in Kartarpur Sahib

কর্তারপুর সাহিবে ফটোশুট করে বিপাকে পাক মডেল, চাইলেন ক্ষমা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারে (Kartarpur Sahib Gurudwara) ফটোশুট করে বিতর্কে জড়ালেন এক পাক মডেল (Pakistani Model)। পাকিস্তান সরকারের কাছে ওই পাক মডেলের গ্রেপ্তারির দাবি জানাল অকালি দল (Shiromani Akali Dal)। দিল্লির শিখ গুরুদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটির পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়েছে, খালি মাথায় গুরুদ্বারের দিকে পিছনে ফিরে পোজ দিয়েছেন মডেল। এভাবে শিখদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, সালেহা নামে  ওই পাক মডেল মন্নত নামের একটি অনলাইন ক্লোদিং স্টোরের জন্য ‘গুরুদ্বার দরবার সাহিব কমপ্লেক্সে’ একটি ফটোশুট করেন। ফটোশুটের ছবিতে দেখা গিয়েছে, পাক মডেল গুরুদ্বারের দিকে পিছন ফিরে পোজ দিচ্ছেন। তাঁর মাথা অনাবৃত। এই ভিডিও শুটের ছবিই মন্নত ক্লোদিংয়ের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হয়, যাকে তীব্র আপত্তিকর ও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত বলছেন শিখরা। বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন ওই পাক মডেল। ইনস্টাগ্রামেই একটি পোস্ট দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, কারও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।

আরও পড়ুন: অরুণাচলের চার কিমি ভিতরে ঢুকে আস্ত গ্রাম বানিয়ে ফেলল চিন! অস্বস্তিতে কেন্দ্র

শিরোমণি অকালি দলের মুখপাত্র মনজিন্দর সিংহ সিরসা বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেই তিনি লেখেন, ‘‘গুরুদ্বারের মতো পবিত্র স্থানে এই ধরনের আচরণ কোনও মতেই গ্রহণযোগ্য নয়।’’ টুইট করে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং পাক সরকারি কর্তাদেরও ট্যাগ করেন সিরসা। তাঁদের কাছে সিরসা অনুরোধ করেন, শিখদের পবিত্র ধর্মস্থান যেন পিকনিক স্পট না হয়ে ওঠে, সেটা খেয়াল রাখতে।

বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই ছবিগুলি ইনস্টাগ্রাম থেকে মুছে ফেলেন সৌলেহা। তার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। সৌলেহা লিখেছেন, ‘‘আমি করতারপুরে নিজের একটি ছবি দিয়েছিলাম। কারও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার উদ্দেশ্য আমার ছিল না। ওটা কোনও শুটিংয়েরও ছবি ছিল না। আমি শুধু করতারপুরে গিয়ে সেখানকার স্মৃতি সংগ্রহ করতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম ওই স্থানের ইতিহাস সম্পর্কে বিশদে জানতে। তবু কেউ যদি আমার কাজে আঘাত পেয়ে থাকেন, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, শিখ সংস্কৃতিকে তিনি সম্মান করেন।

আরও পড়ুন: Omicron অভিশাপ নয় আশীর্বাদ! কেন এমন দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest