সহকর্মীকে গভীর চুম্বন, করোনাবিধি ভাঙায় ইস্তফা দিলেন ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসচিব

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

করোনা কালে অফিসের মধ্যেই সহকর্মীকে গভীর চুম্বন। পরস্পরকে আলিঙ্গন করে চুমুর সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হতেই বিপাকে পড়লেন ব্রিটেনের (UK) স্বাস্থ্যসচিব। বিতর্কের আগুনে যাতে ঘি না পড়ে, তার জন্য নিজেই পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ম্যাট হ্যানকক। ব্রিটিশভূমের এই ঘটনাই এখন চর্চার শিরোনামে।

একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় যেখানে ম্যাট হ্যানকককে দেখা গিয়েছে তার মহিলা সহকর্মীকে চুম্বনরত অবস্থায়। এই ভিডিওটির মাধ্যমে হ্যানককের বিরুদ্ধে করোনার বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এই ছবি ও ভিডিও সামনে আসতে গুরুতর সমস্যায় পড়েন বরিস জনসন সরকার৷ কোনওভাবেই স্বাস্থ্যসচিবকে আড়াল করা সম্ভব হয়নি৷ ফলে ম্যাট হ্যানকককে পদত্যাগই করতে হয়।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক প্রধানমন্ত্রী জনসনের কাছে পদত্যাগ জমা দিয়ে লেখেন, “আমি আমার পদ থেকে পদত্যাগ করছি৷ মহামারীকে পরাস্ত করার জন্য আমরা দেশ হিসাবে কঠোর পরিশ্রম করেছি, যার ফলস্বরূপ আমরা আমাদের দেশের নাগরিকদের বাঁচাতে পেরেছি। আমি কোনওভাবেই চাইব না যাতে আমার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য এই করোনা মোকাবিলায় দেশের নাম খারাপ হোক৷ আমি আমার আমার কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা চেয়ে পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি৷”

আরও পড়ুন: প্রথম সফরেই আমিরাত যাচ্ছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাপিদ

বিষয়টি প্রথমে সামনে আসে ইংল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমের হাত ধরে। অফিসের ভিতর এক মহিলার সঙ্গে হ্যানককের অন্তরঙ্গ হওয়ার ছবি প্রকাশ্যে আনে তারা। সংবাদমাধ্যমটির দাবি, স্বাস্থ্যসচিব হ্যানকক বিবাহিত। তাঁর নিজের বিভাগের আয়করদাতাদের ব্যয় এবং অন্যান্য পারফরম্যান্সের দিকে নজর রাখার জন্যই ওই মহিলাকে নিযুক্ত করেছিলেন তিনি। সেই মহিলার সঙ্গেই শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন হ্যানকক। যে ছবিগুলি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে, তা আসলে গত মে মাসের ছবি। সেই সময় ব্রিটেনে জারি ছিল কড়া কোভিডবিধি। পরিষ্কার নির্দেশিকা দেওয়া ছিল যে, বাড়ির বাইরে কোনও জায়গাতেই ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে না। সংক্রমণ ঠেকাতে বজার রাখতে হবে শারীরিক দূরত্ব।

কিন্তু একেবারে স্বাস্থ্যদপ্তরের অন্দরেই গলদ! যিনি কিনা দেশবাসীকে দূরত্ববিধির পাঠ দিচ্ছেন, তিনিই কোভিডের নিয়ম ভেঙে অফিসেরই মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই যে এনিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠতে চলেছে, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে ছবি সামনে আসার পরই তা ভালই বুঝতে পেরেছিলেন বছর বিয়াল্লিশের হ্যানকক। শুধু তাই নয়, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে অফিস কর্মীর সম্পর্ক নিয়েও কম জলঘোলা হবে না। সবদিক ভেবেই তাই ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শনিবারই পদত্যাগপত্র জমা দেন হ্যানকক। তা ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)।

তবে গোটা ঘটনায় হ্যানককের পাশেই দাঁড়িয়েছেন বরিস জনসন। স্বাস্থ্যসচিব হিসেবে তাঁর কাজের প্রশংসাও করেছেন।

আরও পড়ুন: ব্রিটেনকে চোখ রাঙাচ্ছে রাশিয়া, ভূমধ্যসাগরের আকাশে উড়ছে রুশ যুদ্ধবিমান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest