Site icon The News Nest

চরমে অন্তর্দ্বন্দ্ব! সংসদ ভেঙে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার সিদ্ধান্ত নিলেন ‘কোণঠাসা’ ওলি

oli

নেপালের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের পটবদল। পার্লামেন্ট ভেঙে গেল নেপালে।

আজ, রবিবার সকালেই এই নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। বৈঠক নিয়ে কে পি শর্মা ওলি ক্যাবিনেটের শক্তিমন্ত্রী (Energy Minister) জানিয়েছেন,  রবিবার সকালে সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। তা মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে পাশও হয়ে গিয়েছে।

‘কাঠমাণ্ডু পোস্ট’ সংবাদ মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে পাস হওয়া একটি অধ্যাদেশ তোলা নিয়ে ওলির সঙ্গে মতানৈক্য চরমে পৌঁছয় শাসক দল ‘নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির’ মধ্যেই। তাঁর বিপক্ষে থাকা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল ও মাধব নেপালের সঙ্গে মতবিরোধের জেরেই ওলির এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন নেপালের রাজনৈতিক মহল। পষ্পকমল দহল ওরফে প্রচণ্ড, মাধব নেপাল এবং ঝালনাথ খালাং, এই তিন ব্যক্তি এর আগে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে শনিবার বৈঠক হয় ওলির। তবে, কোনও রফাসূত্র মেলেনি।

আরও পড়ুন: ৫০ বছর ধরে ছিল নাকের ভেতরেই ! অপারেশনের পর কপালে চোখ চিকিৎসকদের

গত মঙ্গলবার নেপাল সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা আরও জোরদার করা হয়েছে। এ নিয়ে দলের মধ্যেই মতবিরোধ তৈরি হয়। প্রচণ্ড, মাধব নেপালের মতো প্রবীণ নেতারা তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ান। পরদিনই শাসক দলের স্ট্যান্ডিং কমিটি একটি প্রস্তাবনা পাশ করে ওলিকে সেই অধ্যাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

কমিটির বৈঠকে সেই নির্দেশ মেনে নিলেও পরে আবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন ওলি। নিজের দলের অন্দরে যাঁরা বিরোধিতা করছিলেন, তাঁদের বোঝানোরও চেষ্টা করেছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। নিজেদের দূরত্ব ঘোচাতে প্রচণ্ডের বাড়িতে যান ওলি। যে সব রাজনৈতিক নথিতে তাঁর চূড়ান্ত সমালোচনা করা হয়েছে, তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার শর্তে অধ্যাদেশ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। সূত্রের খবর, সংকট থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রচণ্ডকে একসঙ্গে কাজের প্রস্তাব দেন ওলি। কিন্তু তা নাকচ করে দেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

তারপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন ওলি। সূত্রের খবর, প্রচণ্ড-ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাম বাহাদুর তাপাকে ফোন করেন। সংসদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর সাহায্য চান। এরপর রবিবার রাষ্ট্রপতি বৈদ্যদেবীর সঙ্গে তাঁর বাসভবন ‘শীতল নিবাসে’ দেখা করতে যান প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, গভীর রাত পর্যন্ত আলাপ আলোচনা চলে তাঁদের। ওলিকে সংসদ না ভাঙার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু সেই পথে হাঁটেননি ওলি।

আরও পড়ুন: Vaccine নিলে আপনি কুমীর হয়ে যেতে পারেন, হাস্যকর দাবি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের

 

Exit mobile version