প্রেমে মগ্ন সারা-সুশান্ত ব্যাংককে হোটেলের এক ঘরে ‘বন্দি’ ছিলেন টানা ৩ দিন! প্রতি মুহূর্তে সামনে নয়া তথ্য…

সারা আলি খানের সঙ্গে ব্যাঙ্কক ঘুরতে গিয়েছিলেন সুশান্ত সিংহ রাজপুত! তিন দিন হোটেল থেকে বের হতেও দেখা যায়নি তাঁদের।এ বার প্রকাশ্যে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রকাশ করলেন সুশান্তের প্রাক্তন সহযোগী সাবির আহমেদ।

সম্প্রতি একাধিক সংবাদমাধ্যমে সুশান্তের মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুলেছেন গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তী। সেখানেই একটি সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশান্তের ব্যাংকক বেড়াতে যাওয়া নিয়ে বেশ কিছু তথ্য দেন রিয়া। জানান, নিজের ছয় বন্ধুর সঙ্গে ব্যাংককে বেড়াতে গিয়েছিলেন সুশান্ত। রিয়া বলেছিলেন, ওই ট্রিপে গিয়েই নাকি দেদার খরচ করেছেন সুশান্ত। গিয়েছিলেন প্রাইভেট জেটে। এমনকি, বন্ধুদের যাবতীয় খরচও তিনিই দেন। প্রয়াত অভিনেতার ওই ট্রিপে তাঁর সঙ্গে ছিলেন কুশল জাভেরি, সিদ্ধার্থ গুপ্তা, আব্বাস, মুস্তাক এবং সাবির আহমেদ। রিয়ার বক্তব্য অনুসারে, ওই ট্রিপে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা খরচ করেছিলেন সুশান্ত।

আরও পড়ুন: এবার ‘তেজস’ ওড়াবেন কঙ্গনা, সামনে এল অভিনেত্রীর ফাইটার লুক

সেই দাবি যে সত্যি শিকার করেছেন সাবির। জানিয়েছেন, ছয় বন্ধুর সঙ্গে ২০১৮-র ডিসেম্বরে ব্যাঙ্কক গিয়েছিলেন অভিনেতা। ওই ছয় বন্ধু হলেনকুশাল জাভেরি, সিদ্ধার্থ গুপ্ত, আব্বাস, মুস্তাক, সাবির নিজে এবং সুশান্ত। ‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবির বলেন, ওই বয়েজ ট্রিপে সুশান্তের তৎকালীন ‘রিউমারড’ প্রেমিকা সারা আলি খানও শরিক হন। তাঁকে নিয়ে মোট সাতজন। সাবিরও রিয়ার কথার সমর্থনে বলেছেন, তাঁরা গিয়েছিলেন প্রাইভেট জেটেই। এক বিলাসবহুল হোটেলেও উঠেছিলেন তাঁরা।

সাবির ওই ট্রিপ নিয়ে জানিয়েছেন, সুশান্ত সিং রাজপুত ও সারা আলি খান ট্রিপের বেশিরভাগ সময়ই হোটেলের ঘরে থাকতেন। তিনি বলেছেন, ‘ট্রিপের প্রথম দিন আমরা সবাই মিলে বিচে বেড়াতে গিয়েছিলাম। বাকি ট্রিপের গোটাটাই সুশান্ত ও সারা হোটেলের ঘরে ছিলেন। বন্ধুরা বেড়াতে যেতেন। ব্যাংককের একটি বিলাসবহুল হোটেলে ছিলেন তাঁরা।’ তবে সুনামির পূর্বাভাস থাকায় তাঁরা সবাই ট্রিপ ছোট করে ফিরে এসেছিলেন। তবে মুস্তাক ও সাবির থেকে গিয়েছিলেন বিমানের টিকিট না পাওয়ায়। তিনি বলেছেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে ব্যাংককে ছিলাম আমরা। সুশান্ত ওঁর এটিএম কার্ড আমাদের দিয়ে দিয়েছিলেন খরচের জন্য।…’

এর আগে সারা-সুশান্তের প্রেম নিয়ে মুখ খুলেছিলেন স্যামুয়েলও। সুশান্তকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন স্যামুয়েল। তিনি ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘কেদারনাথ’ ছবির সময়েই নাকি সারা-সুশান্ত একে অন্যের প্রেম হাবুডুবু খাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “সারা শুধু সুশান্ত নয়, সুশান্তের পরিবার, বন্ধু, এমনকি তাঁর স্টাফেদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল ছিল।আমি অবাক হয়েছি সারা যখন এই সম্পর্ক ভেঙে চলে আসে। আমার মনে হয় বলিউড মাফিয়ারাই সুশান্তের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য করেছিল সারাকে।” সুশান্ত কাণ্ডে সাবিরের দেওয়া এই নয়া তথ্য নিঃসন্দেহে রহস্য আরও ঘনীভূত করল।

আরও পড়ুন: এবার বজবজ কলেজের মেধা তালিকাতেও সানির নাম, ক্লাসে দেখা হচ্ছে! বললেন নায়িকা