Stan Swami: প্রয়াত জনজাতি অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের মুখ স্ট্যান স্বামী

মারা গেলেন এলগার পরিষদ ও মাওবাদী যোগসাজশ (Elgar Parishad-Maoist links) মামলায় অভিযুক্ত ধর্মগুরু তথা সমাজকর্মী স্ট্যান স্বামী (Stan Swamy) ৷ মুম্বইয়ের যে হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন, সেখানকার কর্তৃপক্ষ আজ বোম্বে হাইকোর্টকে এই খবর জানিয়েছে ৷ গত 29 মে থেকে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন স্ট্যান স্বামী ৷ হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, তিনি পোস্ট কোভিড এবং পারকিনসন রোগের কারণে মারা গিয়েছেন ৷ গতকাল তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন ৷ তখন তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয় ৷ আজ বেলা দেড়টার সময় স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু হয়েছে ৷

সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে গ্রেফতার হওয়া স্ট্যানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর আত্মীয় পরিজনেরা সরব হচ্ছিলেন। জেলে ক্রমে স্ট্যানের শরীর আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনও বলেছিলেন অনেকে। তারপরেই আদালত তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

সুধা ভরদ্বাজ-সহ বেশ কয়েকজন বন্দিমুক্তির দাবিতে যে আন্দোলন তৈরি করেন, স্ট্যান তাঁর অংশ ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়। পাশাপাশি, ভীমা কোরেগাঁও মামলায় নাম জড়ায় স্ট্যানের। ২০২০ সালে ৮ অক্টোবর এনআইএ গ্রেফতার করে স্ট্যান স্বামীকে। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ আইনে অভিযোগ আনা হয়। গ্রেফতারির প্রতিবাদ করে একাধিক বামপন্থী সংগঠন, কংগ্রেসও। স্ট্যানের মুক্তি চেয়ে চিঠিতে সই করেন শশী তারুর, সীতারাম ইয়েচুরিরা। কিন্তু জেলে স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে স্ট্যানের।

আরও পড়ুন: চার মাসে ২ বার পরিবর্তন, উত্তরাখণ্ডের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হলেন পুষ্কর সিং ধামি

স্ট্যানের পারকিনসন্স-সহ একাধিক রোগ ছিল। জেলে একাধিক বার তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কানে শুনতে পেতেন না একটা সময়, অস্ত্রোপচারও হয়। এই বছর ১৮ মে মুম্বই হাই কোর্টে বলা হয়, স্ট্যান গুরুতর অসুস্থ। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞ কমিটি। মে মাসে তাঁর করোনা ধরে পড়ে। শেষে ৪ জুলাই তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু নিয়ে তালোজা জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আজ বোম্বে হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী ৷ তিনি অভিযোগ করেন, জেল কর্তৃপক্ষ স্ট্য়ান স্বামীর চিকিৎসার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি ৷ এমনকি দ্রুততার সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়নি ৷

আরও পড়ুন: বিজেপি-শিবসেনার সম্পর্ককে আমির-কিরণের বন্ধুত্বের সঙ্গে তুলনা সঞ্জয় রাউতের