স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিকায় প্রেম কাহিনি! আনলক হতেই নয়া চমক পাভেলের, সঙ্গী এনা

‘মিথ্যুক’-কিছু মিথ্যে সত্যি হোক। সম্পূর্ণ মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রেমের গল্প, নিয়ে ফের দর্শকদের সামনে নিয়ে আসছেন পরিচালক পাভেল। প্রযোজক হলেন এনা সাহা।

এটিও পিরিয়ড পিস। বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে একটি গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক।  পাভেলের কথায়, ‘এতে নিষ্পাপ প্রেমের বৃষ্টি থাকবে, আবার বৈপ্লবিক বোমার বিস্ফোরণও থাকবে’।অতিমারির সময়ে সকলে যখন কম বাজেটে, অল্প পরিসরের কাহিনি ভাবছেন, তখন পাভেল জানালেন তিনি পিরিয়ড ছবির পরিকল্পনা করছেন। এর আগে তাঁর পরিচালিত ‘রসগোল্লা’ও ছিল পিরিয়ড মুভি। ‘‘ছোট ক্যানভাসেরই একটা ছবি ভাবছিলাম কিন্তু ঘটনাচক্রে সেই এলাহি ব্যাপার হয়ে গেল,’’ হাসতে হাসতে বললেন পাভেল। স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিকায় প্রেম কাহিনি, পরিচালকের নতুন ছবির বিষয়বস্তু। তবে সত্যি ঘটনা নয়, কাল্পনিক বিষয়বস্তু নিয়েই তৈরি হচ্ছে ‘মিথ্যুক’। চরিত্র নির্বাচনের কাজ এখনও চলছে।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত ‘ব্যাটম্যান’ রবার্ট প্যাটিনসন, লন্ডনে বন্ধ সিনেমার শ্যুটিং

এ বছরই প্রযোজক হিসেবে টলিউডে পা রেখেছেন এনা। ‘জারেক এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রথম ছবি ‘এস ও এস কলকাতা’। ছবিতে কাজ করেছেন নুসরত জাহান, মিমি চক্রবর্তী, যশ দাশগুপ্ত, এনা সাহা। সেটির কাজ সম্পূর্ণ। এবার এনা প্রযোজনা করছেন দ্বিতীয় ছবির। বেশ কিছুদিন ধরেই পাভেল আর এনার মধ্যে একটি ছবি নিয়ে আলোচনা চলছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর কাজ শুরু হচ্ছে ‘মিথ্যুক’-এর।

সিনেমার বিষয় নিয়ে পাভেল জানালেন, ‘আজকের এই কঠিন সময়ে যখন বাঙালিদের নানাভাবে কোণঠাসা করা হচ্ছে, তাঁদের জাতীয়তাবোধ বা এমনই নানা বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন ছবিটার মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাঙালিরাই সবচেয়ে বেশি প্রাণত্যাগ করেছিলেন। বাঙালি তরুণের বিশেষত্ব হল বিদ্রোহ করা। সেই ইতিহাস সামনে এনে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে চাই’।

করোনার পরিস্থিতিতে শুটিং যে সহজ হবে না, তা জানেন পরিচালক। ‘‘এনা নতুন প্রযোজক হলেও, খুব এফিশিয়েন্ট। অতিমারির পরিস্থিতিতে ওরা একটা গোটা ছবির শুটিং করে ফেলেছে, যেখানে একজনেরও করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর আসেনি। তাই শুটিং নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী,’’ মন্তব্য পাভেলের। নভেম্বর মাসে কালীপুজোর পরে ‘মিথ্যুক’-এর শুটিং শুরু হবে।

আরও পড়ুন: চিরদিনের মহানায়ক! দাবি মেনে বর্ধমানে বসছে উত্তমকুমারের পূর্ণাঙ্গ মূর্তি, খুশি এলাকাবাসী