Home Minister Amit Shah rules out possibility of imposing President's rule in Bengal

Amit Shah: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি বঙ্গ বিজেপির, গুরুত্ব দিতে নারাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ভোট পরবর্তী হিংসাকে ইস্যু করে বিজেপির নেতারা বার বার দাবি করে এসেছেন, বাংলায় আইনের শাসন নেই। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ মমতা ব্যানার্জির সরকার, তাই অবিলম্বে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক। সাম্প্রতিক কালে বগটুই থেকে হাঁসখালি হয়ে শুক্রবারের কাশীপুর কাণ্ড নিয়ে এই দাবি আরও প্রবল হয়ে উঠেছে। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। কিন্তু তা সম্ভব নয়। একথা জানিয়ে দিলেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

দু’ দিনের সফরে বৃহস্পতিবার রাজ্যে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নিউটাউনের একটি হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক সারেন তিনি। সেখানেই আরও একবার, ৩৫৫, ৩৫৬ ধারা লাগুর দাবি তোলেন দলীয় নেতানেত্রীরা। তবে সে দাবি খারিজ করে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি পালটা প্রশ্ন ছোঁড়েন, “এভাবে কি কোনও নির্বাচিত সরকারকে ফেলা সম্ভব?” রাজনৈতিক মহলের মতে, বঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি যে খারিজ করে দিয়েছেন অমিত শাহ, তা তাঁর প্রশ্নেই স্পষ্ট।

বঙ্গ বিজেপি ব্রিগেডের কিছু নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, রাজ্যের পুলিশ শাসকদলের হয়ে কাজ করছে। তাতে আমল দেননি শাহ। বলেছেন, তৃণমূলি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে বিজেপি কর্মীদের। এ প্রসঙ্গে গুজরাটের কথা মনে করিয়েছেন তিনি। বলেছেন, বিরোধী থাকাকালীন সে রাজ্যে কত আক্রমণ সহ্য করতে হয়েছিল তাঁকে। সিপিএমের আক্রমণের বিরুদ্ধে মমতার লড়াইয়ের কথাও দলের নেতাদের স্মরণ করিয়েছেন অমিত শাহ।

আরও পড়ুন:  Rampurhat Massacre: মৃত্যু আরও এক অগ্নিদগ্ধ মহিলার, মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১০

পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দেন অমিত শাহ। একজন লড়াকু রাজনীতিক হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদাহরণ রূপে তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর মতো লড়াই করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা শাহের। মনোবল না হারিয়ে নতুন করে শূন্য থেকে শুরু করার টোটকা শাহের। বিজেপি নেতৃত্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় যথেষ্ট সক্রিয়। বারবার তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে বঙ্গ বিজেপি সেভাবে টুইটারকে প্রচারের মাধ্যম হিসাবে কাজে লাগাতে পারছে না বলেও দাবি অমিত শাহের।

প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের উপর কিছুটা ক্ষুন্ন শীর্ষ নেতা? একাধিক ভোটে খারাপ ফলাফলের জন্য বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের উদাসীনতাকেই কি দায়ী করছেন দিল্লির নেতারা? সে কারণেই কি দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে শাহের মতবিরোধ?

আরও পড়ুন: Sutapa Murder Case: অনেক ছেলেকে নষ্ট করছিস, তোর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে, শেষ চ্যাটে সুতপাকে সুশান্ত

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest